ধর্ষণের অভিযোগে মরক্কোর তারকা ফুটবলার আশরাফ হাকিমিকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলে সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে ফরাসি আদালত। কয়েক বছর ধরে আলোচিত এই মামলায় আপিলের পরও নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পথ আরও স্পষ্ট হলো।
শুক্রবার (১৯ জুন) ফ্রান্সের আপিল বিভাগ জানায়, হাকিমির পক্ষ থেকে করা আপিল গ্রহণ করা হয়নি। এর ফলে আগের আদালতের দেওয়া বিচার কার্যক্রম শুরুর নির্দেশ বহাল থাকছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নিম্ন আদালত এই মামলাকে বিচারপর্বে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয়। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করে হাকিমির আইনজীবী দল। তবে আপিল বিভাগ সেই আবেদন খারিজ করে দেয়।
অভিযোগের সূত্রপাত ২০২৩ সালের একটি ঘটনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগকারী ২৪ বছর বয়সী এক নারী দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে পরিচয়ের পর তাকে নিজের বাসভবনে আমন্ত্রণ জানান হাকিমি। সেখানে তার সম্মতি ছাড়া শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
তবে অভিযোগের বিষয়ে শুরু থেকেই নিজেকে নির্দোষ দাবি করে আসছেন হাকিমি এবং তার আইনজীবীরা। তাদের অবস্থান, অভিযোগে আনা ঘটনাগুলোর সঙ্গে হাকিমির কোনো অপরাধমূলক সংশ্লিষ্টতা নেই।
বর্তমানে প্যারিস সেন্ট-জার্মেই এবং মরক্কো জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এই ফুটবলার। টুর্নামেন্ট চলাকালেই আদালতের এই সিদ্ধান্ত সামনে এলো।
বিশ্বকাপে মরক্কোর দ্বিতীয় ম্যাচে স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার কথা রয়েছে দলের। ম্যাচের আগে আদালতের এই সিদ্ধান্ত দল ও খেলোয়াড়কে নতুন আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
তবে আদালতের এই সিদ্ধান্ত অভিযোগ প্রমাণের সমতুল্য নয়; এটি কেবল মামলাটি বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নেওয়ার আইনি সিদ্ধান্ত।
সিএ/এমই


