বিশ্বকাপের শুরুতেই নিজের উপস্থিতি নতুন করে জানান দিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার হয়ে উদ্বোধনী ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এবার ফিফার অফিশিয়াল পাওয়ার র্যাংকিংয়েও উঠে এসেছেন শীর্ষে। প্রথম রাউন্ডের ম্যাচগুলো শেষে প্রকাশিত পারফরম্যান্স সূচকে সবার আগে জায়গা করে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয়ে পুরো ম্যাচে আক্রমণভাগে আধিপত্য দেখান মেসি। তার ব্যক্তিগত নৈপুণ্য এবং গোল করার সক্ষমতাই তাকে তালিকার সবার ওপরে তুলে এনেছে।
ফিফার এই পাওয়ার র্যাংকিং একটি ডাটা-নির্ভর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সকে আক্রমণ, সৃজনশীলতা এবং রক্ষণ—এই তিনটি আলাদা সূচকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
সেই মূল্যায়নে আক্রমণভাগে সর্বোচ্চ রেটিং পেয়েছেন মেসি। ১০-এর মধ্যে ৮.১৩ রেটিং নিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড শেষে তিনি অবস্থান করছেন সবার ওপরে।
এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ফরোয়ার্ড ইলাইজাহ জাস্ট। তার রেটিং ৭.৭৪। আর ৭.৪৭ রেটিং নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন আইভরি কোস্টের আমাদ দিয়ালো।
মেসির শীর্ষে ওঠার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে আলজেরিয়ার বিপক্ষে তার হ্যাটট্রিক। ম্যাচের ১৭, ৬০ ও ৭৬ মিনিটে গোল করে একাই আর্জেন্টিনাকে জয় এনে দেন তিনি।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটি ছিল মেসির ১১তম হ্যাটট্রিক। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে এটিই তার প্রথম হ্যাটট্রিক হিসেবে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
এই তিন গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬-তে। ফলে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার রেকর্ড স্পর্শ করেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন পারফরম্যান্স আর্জেন্টিনার শিরোপা সম্ভাবনা যেমন বাড়িয়েছে, তেমনি মেসির ব্যক্তিগত অর্জনের তালিকাতেও যোগ করেছে নতুন আরেকটি অধ্যায়।
সিএ/এমই


