বিশ্বকাপের শুরুটা প্রত্যাশামতো হয়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। পর্তুগালের অধিনায়ক হিসেবে মাঠে নামলেও দলের প্রথম ম্যাচে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন পারফরম্যান্সের কারণে। দীর্ঘ ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলের ড্র করা ম্যাচে রোনালদোর উপস্থিতি খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেনি বলে মনে করছেন অনেকে। ম্যাচের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনায় যোগ দেয় আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’ ম্যাচ বিশ্লেষণে একটি কঠোর ভাষার কলাম প্রকাশ করে। সেখানে লেখক রিচার্ড জলি শিরোনাম দেন, ‘১০ জন খেলোয়াড় এবং একজন মূর্তি’।
শুধু সংবাদমাধ্যম নয়, সাবেক ফুটবল তারকাদের মধ্যেও এসেছে প্রতিক্রিয়া। কিংবদন্তি থিয়েরে অঁরিও রোনালদোর পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করেছেন বলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোনালদোকে নিয়ে নানা ধরনের ট্রল ও সমালোচনা শুরু হলে তার সমর্থকরাও সক্রিয় হয়ে ওঠেন। অনেকেই দাবি করেন, সতীর্থদের কাছ থেকে পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় ম্যাচে প্রভাব ফেলতে পারেননি পর্তুগাল অধিনায়ক। বিশেষ করে আক্রমণভাগে বল সরবরাহ কম পাওয়াকে কারণ হিসেবে তুলে ধরেন তারা।
এমনই এক আলোচনায় নতুন বিতর্কের জন্ম দেন পর্তুগালের মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেসের প্রেমিকা মাদালেনা আরাগাও। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেভেসের সঙ্গে একটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘আমার ৮৭ কে নিয়ে আমি গর্বিত।’ কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের একমাত্র গোলটি করেছিলেন নেভেস।
ছবির নিচে এক রোনালদো-সমর্থক মন্তব্য করেন, ‘তোমার প্রেমিককে বলো আমার আইডলকে (রোনালদো) পাস দিতে।’ সেই মন্তব্যের জবাবে মাদালেনা লেখেন, ‘তোমার আইডলকে বলো অবসর নিতে, সে খুবই স্বার্থপর।’
এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ মনে করছেন এটি অপ্রয়োজনীয় বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এমন মন্তব্য পর্তুগাল শিবিরের পরিবেশেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আলোচনা চলছে।
সিএ/এমই


