বিড়ালের আঁচড় বা কামড়ের ক্ষেত্রে ক্ষত গভীরতা গুরুত্বপূর্ণ। রক্তপাত হলে জীবাণুর সংস্পর্শ ঘটে, তাই টিকা ও যথাযথ চিকিৎসা নেয়া জরুরি। হালকা আঁচড় হলে জীবাণুনাশক দিয়ে ক্ষত পরিষ্কার করা যথেষ্ট।
জলাতঙ্ক বা র্যাবিস ভাইরাস প্রতিরোধে সাবান পানি সবচেয়ে কার্যকর। অনেক অ্যান্টিবায়োটিক সল্যুশন এই জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। ক্ষত হওয়া সঙ্গে সঙ্গে সাবান পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে সংক্রমণ এড়ানো সম্ভব।
বাড়তি নিরাপত্তার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে পারেন। স্যাভলন বা ডেটল ক্ষত পরিষ্কারে কার্যকর। রক্তপাত থাকলে ব্যান্ডএইড বা গজ ব্যবহার করতে হবে।
ক্ষত গভীর না হলেও সংক্রমণ হতে পারে। ক্ষত ফুলে গেলে, লাল হলে বা তীব্র ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিড়াল র্যাবিসে আক্রান্ত হলে আচরণে পরিবর্তন, অতিরিক্ত আগ্রাসন, ঘন ঘন শ্বাস, লালা ঝরা বা গলার স্বরে পরিবর্তন দেখা যায়। র্যাবিস আক্রান্ত বিড়াল সাধারণত দীর্ঘজীবী নয়।
সিএ/এমআর


