নোমান আলী খান বলেন, নবী মুহাম্মদ (সা.) নবুয়্যতের আগে মক্কার সমাজে একজন বিশ্বস্ত ও সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু ইসলামের দাওয়াত শুরু হওয়ার পর কিছু মানুষ তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাতে শুরু করে।
তিনি বলেন, মুশরিকরা সামনে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করলেও পেছনে নানা অপবাদ ছড়াত। কেউ বলত নবীজি (সা.) পরিবারে বিভেদ সৃষ্টি করছেন, আবার কেউ দাবি করত তার দাওয়াত মক্কার অর্থনীতি ও ব্যবসার জন্য হুমকি।
সুরা আল-কলমের আয়াত উল্লেখ করে নোমান আলী খান বলেন, “হামায” শব্দটি এমন আঘাতকে বোঝায় যা মানুষের মনে গভীর ক্ষত তৈরি করে। আর “নামিমা” বলতে বোঝানো হয়েছে গোপন উসকানি বা একের কথা আরেকের কাছে লাগিয়ে দেওয়া।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, এসব অপপ্রচার ছিল পরিকল্পিত সামাজিক বিভাজনের কৌশল। মানুষকে ভয়, অর্থনীতি কিংবা পারিবারিক মূল্যবোধের দোহাই দিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে প্ররোচিত করা হতো।
নোমান আলী খান আরও বলেন, আল্লাহ তাআলা কোরআনে এসব মানুষের বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন, যাতে সব যুগের মানুষ সুবিধাবাদী ও প্রতারণাপূর্ণ আচরণকারীদের চিনতে পারে।
তিনি বলেন, “আল্লাহ শত্রুদের গোপন প্রচারণার আড়াল সরিয়ে দেন এবং সত্যকে স্পষ্টভাবে মানুষের সামনে তুলে ধরেন। এটাই কোরআনের শক্তি।”
বক্তব্যের শেষদিকে তিনি দোয়া করেন, “আল্লাহ আমাদের সত্যের ওপর অটল রাখুন এবং এমন মানুষদের পথ থেকে রক্ষা করুন, যারা ব্যক্তিস্বার্থে সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে।”
সিএ/এমআর


