ইসলামে কিছু প্রাণী হালাল এবং কিছু প্রাণী হারাম হওয়ার পেছনে ধর্মীয় ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাখ্যা দিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামি বক্তা ডা. জাকির নায়েক।
তার ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক বক্তব্যে তিনি বলেন, আধুনিক বিজ্ঞানের কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে, মানুষ যে খাবার গ্রহণ করে তা তার আচরণ ও মানসিকতার ওপর প্রভাব ফেলে। এ প্রসঙ্গ টেনে তিনি ইসলামে হিংস্র প্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন।
ডা. জাকির নায়েক বলেন, “বিজ্ঞান সত্যিই বলে যে তুমি যা খাও তা তোমার আচরণে প্রভাব ফেলে। ঠিক এই কারণেই আমরা মুসলিমরা কখনো মাংসাশী হিংস্র প্রাণী খাই না। সিংহ খাই না, বাঘ খাই না, চিতাবাঘ খাই না। কারণ আমরা হিংস্র ও সহিংস হতে চাই না।”
তিনি আরও বলেন, মুসলমানরা তৃণভোজী ও শান্ত প্রকৃতির প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ও ভেড়া খায়, কারণ ইসলাম শান্তিপূর্ণ জীবনব্যবস্থাকে উৎসাহিত করে।
খাদ্যবিধি প্রসঙ্গে তিনি পবিত্র কোরআনের সুরা আরাফের ১৫৭ নম্বর আয়াত উল্লেখ করে বলেন, ইসলাম পবিত্র ও উপকারী জিনিসকে হালাল এবং অপবিত্র ও ক্ষতিকর জিনিসকে হারাম ঘোষণা করেছে।
তিনি সহিহ বুখারি ও সুনানে ইবনে মাজাসহ বিভিন্ন হাদিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বিড়ালজাতীয় হিংস্র প্রাণী, সরীসৃপ, নখরযুক্ত শিকারি পাখি এবং কিছু ক্ষতিকর প্রাণী মুসলমানদের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তার মতে, ইসলামের খাদ্যনীতি কেবল ধর্মীয় বিধান নয়, বরং মানুষের শারীরিক ও মানসিক কল্যাণের সঙ্গেও সম্পর্কিত।
সিএ/এমআর


