দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখতে খাদ্যাভ্যাসের ভূমিকা ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিকড়জাতীয় কিছু খাবার নিয়মিত গ্রহণ করলে চোখের নানা সমস্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব।
চক্ষু বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ম্যাকুলা ডিজেনারেশন, রাতকানা ও ঝাপসা দেখার মতো সমস্যা বাড়তে থাকে। এসব ঝুঁকি কমাতে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
গাজর চোখের জন্য সবচেয়ে পরিচিত উপকারী খাবার। এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন ‘এ’-তে রূপান্তরিত হয়ে রেটিনার স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং কম আলোতে দেখার ক্ষমতা বাড়ায়। তবে অতিরিক্ত গ্রহণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।
মিষ্টি আলুতে রয়েছে বিটা-ক্যারোটিন ছাড়াও ভিটামিন ‘সি’ ও ‘ই’, যা চোখের কোষকে সুরক্ষা দেয়। এতে থাকা অ্যান্থোসায়ানিন চোখের বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীর করতে সহায়তা করে এবং নীল আলো থেকে রক্ষা করে।
বিটে থাকা লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিন রেটিনাকে অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চোখের পুষ্টি সরবরাহ নিশ্চিত করে।
হলুদের কারকিউমিন উপাদান চোখের প্রদাহ কমাতে সহায়ক এবং বিভিন্ন চোখের রোগ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। তবে এর শোষণ ক্ষমতা বাড়াতে মরিচের সঙ্গে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
পেঁয়াজ সরাসরি দৃষ্টিশক্তি বাড়ায় না, তবে এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে চোখে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পৌঁছাতে সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব খাবার সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করলে চোখের সুস্থতা দীর্ঘদিন বজায় রাখা সম্ভব।
সিএ/এমআর


