ইসলামে শ্রমকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। ধর্মীয় শিক্ষায় বলা হয়েছে, হালাল উপার্জন ইবাদতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত জীবিকা বিশেষভাবে সম্মানিত।
শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত স্পষ্ট। শ্রমিককে ভাইয়ের মতো বিবেচনা করতে বলা হয়েছে এবং মালিকের ওপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তার খাদ্য, বস্ত্র ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার। কোনো শ্রমিককে তার সামর্থ্যের বাইরে কাজ দেওয়া বা কষ্টে ফেলা অনুচিত বলে বিবেচিত।
ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। শ্রমিকের পারিশ্রমিক এমন হওয়া উচিত, যাতে তার পরিবার স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারে। একই সঙ্গে সময়মতো মজুরি পরিশোধের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, নবী-রাসুলরা নিজেরাই কায়িক পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন। এতে শ্রমের মর্যাদা আরও সুস্পষ্ট হয়।
মালিকপক্ষের দায়িত্ব হলো শ্রমিকের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাকে সম্মানজনক জীবনযাপনের সুযোগ দেওয়া। অন্যদিকে শ্রমিকেরও দায়িত্ব হলো সততার সঙ্গে কাজ সম্পাদন করা।
সিএ/এমআর


