সমাজে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে, আর অনেক সময় কাছের মানুষরাই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত থাকেন। তাই প্রতারকদের আগেভাগে শনাক্ত করা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতারকরা প্রথমেই অতিরিক্ত প্রশংসা বা তোষামোদ করে আস্থা অর্জনের চেষ্টা করে। তারা নিজেদের খুব কাছের মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করে এবং দ্রুত বিশ্বাস অর্জন করতে চায়।
প্রতারকরা অনেক সময় পুরো সত্য প্রকাশ করে না। তারা অর্ধেক সত্য ও অর্ধেক মিথ্যার মিশ্রণ তৈরি করে পরিস্থিতি নিজেদের অনুকূলে নেয়। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখাও তাদের একটি সাধারণ কৌশল।
এ ধরনের ব্যক্তিরা অন্যের প্রয়োজনকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়। তারা অর্থ, সুবিধা বা ব্যক্তিগত লাভের জন্য অন্যকে ব্যবহার করতে দ্বিধা করে না।
আরও একটি লক্ষণ হলো, তারা ভুক্তভোগীকে পরিবার ও বন্ধুদের থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। এতে করে ব্যক্তি আরও নির্ভরশীল হয়ে পড়ে এবং প্রতারণার ফাঁদে আটকে যায়।
কথা ও কাজের মধ্যে অসামঞ্জস্যও প্রতারকদের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অনেক সময় তারা চোখে চোখ রাখতে এড়িয়ে চলে বা অস্বাভাবিক আচরণ করে।
প্রতারকরা অপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং নিজেদের ভুলের দায় অন্যের ওপর চাপিয়ে দেয়। এমনকি তারা ভুক্তভোগীকে বিভ্রান্ত করে নিজের বিচারক্ষমতা নিয়েও সন্দেহ তৈরি করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব লক্ষণ দেখা গেলে সতর্ক থাকা জরুরি এবং কাউকে অন্ধভাবে বিশ্বাস না করাই উত্তম।
সিএ/এমআর


