রমজান মাস শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকের মধ্যে ইবাদতের আগ্রহ কমে যেতে দেখা যায়। নামাজে অনিয়ম, কোরআন তেলাওয়াতে বিরতি এবং নফল আমলে শিথিলতা দেখা দেয়। তবে পরিকল্পনা ও দৃঢ় মনোভাব থাকলে রমজানের সেই ধারাবাহিকতা সারা বছর ধরে রাখা সম্ভব।
ইবাদতে স্থির থাকতে হলে প্রথমেই আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা জরুরি। কারণ হেদায়াতের ওপর টিকে থাকা মানুষের নিজের ক্ষমতার বিষয় নয়, বরং এটি স্রষ্টার অনুগ্রহ।
সৎ মানুষের সঙ্গ ইবাদতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যারা নিয়মিত ইবাদতে উৎসাহ দেয়, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখলে রমজানের পরেও সেই গতি ধরে রাখা সহজ হয়।
মহৎ ব্যক্তিদের জীবনী পড়লে মনোবল বাড়ে এবং নতুন করে প্রেরণা পাওয়া যায়। সাহাবিদের ত্যাগ ও একাগ্রতা মানুষের অলসতা দূর করতে সহায়তা করে।
ডিজিটাল যুগে গঠনমূলক অডিও-ভিডিও শোনা ইমান শক্তিশালী রাখতে সহায়ক। কাজের ফাঁকে ধর্মীয় আলোচনা শোনা মনকে সতেজ রাখে।
ফরজ ইবাদতে কোনো ছাড় না দেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সময়মতো আদায় এবং কাজা রোজা দ্রুত পূরণ করা উচিত।
অল্প হলেও নিয়মিত নফল আমল করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। নিয়মিত ছোট আমল আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় বলে উল্লেখ রয়েছে।
কোরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা, প্রতিদিন কিছু অংশ তেলাওয়াত করা এবং তা জীবনে প্রয়োগ করা ইবাদতের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
এ ছাড়া নিয়মিত জিকির, আত্মসংযম এবং পাপ থেকে দূরে থাকা ইবাদতের স্বাদ বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ভুল হলে দ্রুত তওবা করে নতুনভাবে শুরু করাও প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


