রাঙামাটির কাউখালী উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে গেছে। এতে সাত মাসের এক শিশুসহ অন্তত ১৯ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার সাপছড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় একজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাসটি উদ্ধার করে কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নানিয়ারচর উপজেলা থেকে বাসটি চট্টগ্রাম শহরের উদ্দেশে ছেড়ে আসে। পথে কাউখালীর সাপছড়ি এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে যায়। বাসটিতে প্রায় ৪০ জন যাত্রী ছিলেন। তারা অধিকাংশই ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। দুর্ঘটনায় ১৯ জন যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে ১০ জনকে রাঙামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তি হওয়া ব্যক্তিরা হলেন রাসেল চাকমা, অন্তরা চাকমা, জুয়েল চাকমা, সবিনয় চাকমা, দয়া রানী চাকমা, সুচরিতা চাকমা, রিপন চাকমা, শুভ দেবী চাকমা, বিপিন চাকমা ও শেফালিকা চাকমা।
এ ছাড়া এক শিশুসহ আরও কয়েকজনকে হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ভূবেন্তু চাকমা, সুয়েন্তু চাকমা, বিটনা চাকমা, খোকন চাকমা, শুভ চাকমা, জয়া চাকমা, ফরসা চাকমা প্রমুখ। গুরুতর আহত তুহিন চাকমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সাত মাস বয়সী শিশু রিপ রিপ চাকমাকেও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনামুল চৌধুরী বলেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে বেতবুনিয়া পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈকত আকবর বলেন, বাস দুর্ঘটনায় আহত ১৯ জনকে হাসপাতালে আনা হয়। এর মধ্যে কয়েকজনকে বহির্বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সিএ/এমই


