ঈদের ছুটিতে ঢাকা শহর অনেকটাই ফাঁকা হয়ে যায়। যানজট ও কোলাহল কমে যাওয়ায় এই সময়টায় রাজধানীতে নিরিবিলি পরিবেশে ঘোরাঘুরির সুযোগ তৈরি হয়। যারা ঈদের ছুটিতে ঢাকাতেই থাকছেন, তাদের জন্য এটি হতে পারে পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর দারুণ সময়।
শহর ফাঁকা থাকায় দর্শনীয় স্থানগুলোতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঘোরার সুযোগ থাকে। তাই এই সময়টাকে কাজে লাগিয়ে ঢাকার আশপাশের কয়েকটি আকর্ষণীয় স্থানে ভ্রমণ করা যেতে পারে।
প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে চাইলে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে অবস্থিত জিন্দা পার্ক হতে পারে চমৎকার গন্তব্য। সবুজ গাছপালা, জলাশয়, কাঠের সেতু ও নান্দনিক স্থাপত্যের কারণে এটি প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। পরিবার নিয়ে পিকনিক বা নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য জায়গাটি উপযুক্ত।
গাজীপুরের সাফারি পার্কও ভ্রমণপিপাসুদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ। এখানে প্রাণীরা খাঁচায় বন্দি না থেকে উন্মুক্ত পরিবেশে বিচরণ করে। দর্শনার্থীরা নিরাপদ যানবাহনে বসে বাঘ, সিংহ, জিরাফসহ নানা প্রাণী কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা নিতে পারেন।
ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য সোনারগাঁওয়ের পানাম সিটি একটি অনন্য গন্তব্য। পুরোনো লাল ইটের দালান, কারুকাজ ও সরু রাস্তা প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশৈলীকে তুলে ধরে। কাছেই রয়েছে লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর, যেখানে ঐতিহ্যবাহী শিল্পকর্ম দেখা যায়।
কেরানীগঞ্জও স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণের জন্য ভালো একটি স্থান। সারিঘাটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, কড়ইগাছের সারি এবং নৌভ্রমণের সুযোগ দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। এছাড়া কালীগঙ্গা নদীতে নৌকাভ্রমণও উপভোগ করা যায়।
ঢাকার কাছেই দোহার উপজেলার মৈনট ঘাট ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে পরিচিত। পদ্মা নদীর বিস্তীর্ণ জলরাশি ও বালুচর এই জায়গাটিকে বিশেষ করে তুলেছে। এখানে সূর্যাস্ত দেখা ও নৌভ্রমণ একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হতে পারে।
সিএ/এমআর


