খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের ধারালো অস্ত্রের হামলায় যুবদলের এক নেতা নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে সেনহাটি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বকশিবাড়ি কবরস্থানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তি খান মুরাদ, বয়স ৪৫ বছর। তিনি সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। তাঁর বাড়ি হাজী গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মুনসুর খানের ছেলে।
নিহতের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহ আগে খান মুরাদের সঙ্গে সাজ্জাদ নামের এক যুবকের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তা কার্যকর হয়নি। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে মুরাদ বকশিবাড়ির দিকে যাওয়ার সময় সাজ্জাদ ও তার ভাই সজিবসহ কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে। এরপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহত অবস্থায় খান মুরাদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলে পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, দিঘলিয়া থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদের সঙ্গে বিরোধের জেরেই এই হামলার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
খুলনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ সার্কেল সাইফুল ইসলাম বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় খান মুরাদ নিহত হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, ঘটনায় জড়িত সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ঘটনার পর থেকে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সিএ/এমআর


