বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের পছন্দনীয় লোক বসানো একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তবে একই সঙ্গে তিনি বিচার প্রক্রিয়া যেন অব্যাহত থাকে, সে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছেন।
সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম জানান, তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। এখন নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ায় তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার রয়েছে।
তিনি বলেন, নতুন সরকার কাজের সুবিধার্থে তাদের লোক বসিয়েছে, যা স্বাভাবিক। এ বিষয়ে তার পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি নেই এবং নতুনদের জন্য তার শুভকামনাও থাকবে।
বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, প্রয়োজন হলে তিনি নতুনদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেবেন। একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তার প্রত্যাশা, চলমান বিচার প্রক্রিয়া যেন অব্যাহত থাকে এবং দেশে এ ধরনের অপরাধ আর পুনরায় সংঘটিত না হয়।
তিনি উল্লেখ করেন, শুরুতে তাকে বলা হয়েছিল আগের মতোই দায়িত্ব পালন করতে। পরে তিনি জানতে পারেন, নতুন কেউ তার দায়িত্বে আসছেন। তখন তিনি পদত্যাগ করবেন কি না জানতে চাইলে সংশ্লিষ্টরা তাকে পদত্যাগ না করার পরামর্শ দেন। বলা হয়, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি এলে এমনিতেই পরিবর্তন হয়ে যাবে।
তাজুল ইসলাম বলেন, পদত্যাগ করলে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন বার্তা যেতে পারত। সে কারণেই তিনি পদত্যাগ করেননি।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত যুক্তি ও প্রমাণ বিশ্বের যে কোনো আদালতেই উপস্থাপন করা হলে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হওয়ার মতো যথেষ্ট। পুরো প্রসিকিউশন একটি টিম হিসেবে কাজ করেছে এবং এখানে কোনো গ্রুপিং ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর জানান, তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। দায়িত্ব শেষ করে তিনি আবারও তার আইনপেশায় ফিরে যাবেন।
সিএ/এমআর


