ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে চার দিনের জন্য সীমিত রাখা হয়েছিল মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন। এই সময় বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ বিভিন্ন এমএফএসের মাধ্যমে একবারে এক হাজার টাকার বেশি পাঠানো সম্ভব হয়নি। এতে সাধারণ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা নানা ভোগান্তির মুখে পড়েন।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে এসব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। ফলে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই এমএফএস এজেন্ট ও গ্রাহকদের লেনদেন কার্যক্রম স্বাভাবিক নিয়মে শুরু হয়।
এর আগে ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্বাচন উপলক্ষে এমএফএস ও অনলাইন ব্যাংকিং সেবায় সীমাবদ্ধতা আরোপের ঘোষণা দেয়। সে অনুযায়ী ব্যক্তি পর্যায়ে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ এক হাজার টাকা পাঠানো এবং দৈনিক লেনদেনের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০টিতে সীমিত রাখা হয়। তবে মার্চেন্ট পেমেন্ট ও ইউটিলিটি বিল পরিশোধে কোনো বাধা ছিল না।
নির্বাচন ঘিরে এমএফএস সংক্রান্ত অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রতিটি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ কুইক রেসপন্স সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সন্দেহজনক লেনদেন চিহ্নিত করতে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হয় এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার নির্দেশনা ছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চাহিদা অনুযায়ী নির্ধারিত সময় পর্যন্ত এসব বিধিনিষেধ কার্যকর রাখা হয়। সময়সীমা শেষ হওয়ায় এখন এমএফএস ও ব্যাংকিং লেনদেন পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।
সিএ/এমআর


