জীবনে একজন ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ থাকা অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলেও বাস্তবে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু নেই। তবে এটি সবসময় নেতিবাচক নয়; বরং এর মধ্যেও থাকতে পারে কিছু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য।
নিজের মতো মানুষ খুঁজে না পাওয়া বা ভুল সম্পর্ক এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত থেকে অনেকেই একা থাকার পথ বেছে নেন। এতে তারা আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠেন এবং নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে শেখেন।
বন্ধু না থাকলে ব্যক্তিকে নিজের আবেগ নিজেই নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। ফলে দুঃখ, রাগ বা হতাশা সামাল দেওয়ার মানসিক শক্তি তৈরি হয়। একই সঙ্গে অন্যের মতামতের ওপর নির্ভরতা কম থাকায় বাস্তবতা মোকাবিলার দক্ষতাও বাড়ে।
বন্ধুত্বের কারণে যে মানসিক চাপ, ভুল বোঝাবুঝি বা সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়, তা থেকে মুক্ত থাকায় জীবন অনেক সময় শান্ত ও সহজ হয়। এতে ব্যক্তির মানসিক স্থিতি বজায় থাকে।
একাকিত্ব মানুষকে নিজের ভেতরকে জানার সুযোগ দেয়। ফলে নিজের চাওয়া-পাওয়া, লক্ষ্য ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা তৈরি হয়। পাশাপাশি সময় ও শক্তিকে আরও ফলপ্রসূ কাজে ব্যয় করার সুযোগ তৈরি হয়।
অনেকেই একা থাকলেও একাকিত্ব অনুভব করেন না। বরং নিজের সঙ্গ উপভোগ করতে শিখে ফেলেন, যা ধীরে ধীরে তাদের মানসিক শক্তিতে পরিণত হয়।
বন্ধু না থাকলে প্রত্যাশা কম থাকে, ফলে হতাশাও তুলনামূলক কম হয়। অন্যের ওপর নির্ভরশীলতা কম থাকায় ব্যক্তির মানসিক স্বাধীনতা বাড়ে।
সিএ/এমআর


