সুস্থ জীবনযাপনের অংশ হিসেবে ডায়েটের পাশাপাশি ডিটক্স ওয়াটারের ব্যবহার ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। অনেকেই পুষ্টিবিদদের পরামর্শে এই পানীয় গ্রহণ করছেন, তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে রয়েছে বিভিন্ন মতামত।
ডিটক্স ওয়াটার মূলত এমন একটি পানীয়, যেখানে পানির সঙ্গে ফল, সবজি বা ভেষজ উপাদান মিশিয়ে রাখা হয়। এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে এবং হজম প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। পাশাপাশি শরীরের ভেতরে জমে থাকা কিছু ক্ষতিকর উপাদান দূর করতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ওজন নিয়ন্ত্রণ বা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন বজায় রাখতে ডিটক্স ওয়াটার উপকারী হতে পারে। তবে এটি কোনো জাদুকরী সমাধান নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের সঙ্গে মিলিয়ে গ্রহণ করলে এর উপকারিতা বেশি পাওয়া যায়।
একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি প্রতিদিন এক থেকে দুই লিটার পর্যন্ত ডিটক্স ওয়াটার পান করতে পারেন। তবে সারাদিন শুধু এটিই পান না করে সাধারণ পানির সঙ্গে ভারসাম্য রেখে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
বিভিন্ন উপায়ে ডিটক্স পানীয় তৈরি করা যায়। যেমন লেবু ও পুদিনা শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে, শসা ও লেবুর মিশ্রণ শরীর ঠান্ডা রাখে এবং ত্বকের জন্য উপকারী। আবার আপেল ও দারুচিনি দিয়ে তৈরি পানীয় বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সহায়তা করে।
ডিটক্স ওয়াটার পান করার সময়ও গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই সকালে খালি পেটে এটি পান করেন, যা শরীরকে দ্রুত সতেজ করতে সাহায্য করে।
এটি তৈরি করাও সহজ। পরিষ্কার পানিতে পছন্দমতো উপাদান মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা রেখে দিলেই প্রস্তুত হয়ে যায়। সাধারণত ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখলে স্বাদ ভালোভাবে মিশে যায়।
সিএ/এমআর


