পবিত্র মাহে রমজান ধর্মীয় জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও এর আবহ বাঙালিয়ানার সংস্কৃতির সঙ্গেও গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে সাহরির সময় ভেসে আসা ডাক, মসজিদের গজল, মুয়াজ্জিনের কণ্ঠ কিংবা কোথাও সাইরেনের শব্দ—সব মিলিয়ে এক অনন্য আধ্যাত্মিক পরিবেশ তৈরি হয়।
গভীর রাতের নীরবতা ভেঙে সাহরির আহ্বান কেবল সময় জানানোর ঘোষণা নয়, বরং এটি মানুষের অন্তরে ঈমানি চেতনা জাগিয়ে তোলে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই চর্চা বাঙালি মুসলমান সমাজে আত্মপরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছে।
এই দৃশ্য ও সুরের মধ্যেই লুকিয়ে আছে বাঙালিয়ানার সহজ-সরল ধর্মীয় সৌন্দর্য। দৈনন্দিন জীবনের অনিয়ম ও চাপের মাঝেও রমজানের এই আবহ মানুষকে সংযম, আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহমুখী জীবনের কথা মনে করিয়ে দেয়।
রমজানের দিনগুলো দ্রুত পেরিয়ে মাগফিরাতের দশক সামনে আসে। এই সময় আত্মসমালোচনা, সংযম ও তওবার মাধ্যমে নিজেকে নতুন করে গড়ে তোলার আহ্বানই রমজানের মূল শিক্ষা।
সিএ/এমআর


