রমজান মাসে দীর্ঘ সময় খাবার ও পানি থেকে বিরত থাকার কারণে শরীরে পানিশূন্যতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। শুধু ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত বেশি পানি পান করলেই এই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হয় না। সারা দিনের আর্দ্রতা বজায় রাখতে হলে খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাসেও পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সেহরিতে এক বাটি দই খাওয়ার অভ্যাস শরীরকে দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড রাখতে সহায়তা করে। দইয়ের বড় একটি অংশ পানি হওয়ায় এটি হজমে সাহায্য করে এবং তৃষ্ণা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
রমজানে চা বা কফির মতো ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়। এসব পানীয় ডাইইউরেটিক হওয়ায় শরীর থেকে পানি বের করে দেয় এবং দ্রুত পানিশূন্যতা তৈরি করতে পারে। এর পরিবর্তে ভেষজ চা বা লেবুর শরবত পান করা উপকারী।
সেহরি ও ইফতারে অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার পরিহার করাও গুরুত্বপূর্ণ। নোনতা খাবার শরীরের কোষ থেকে পানি শুষে নেয়, ফলে তৃষ্ণা বাড়ে। রান্নায় লবণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চললে পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে।
হাইড্রেটিং ফল ও সবজি যেমন শসা, টমেটো, লাউ, তরমুজ ও কমলা খাদ্যতালিকায় রাখার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। এসব খাবার শরীরকে শুধু পানি নয়, প্রয়োজনীয় ইলেকট্রোলাইটও সরবরাহ করে।
এ ছাড়া দিনের বেলা সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলা, হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরা এবং অতিরিক্ত গরম পরিবেশ এড়িয়ে চলাও পানিশূন্যতা প্রতিরোধে সহায়ক।
সিএ/এমআর


