মানুষের জীবনে বন্ধুত্ব একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। তবে ভুল বন্ধুর সঙ্গ জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে—দুনিয়া ও আখেরাত উভয় ক্ষেত্রেই। ধর্মীয় শিক্ষায় বলা হয়েছে, কেয়ামতের দিন অনেক মানুষ ভুল বন্ধুত্বের জন্য আফসোস করবে।
দৈনন্দিন জীবনে এমন বন্ধুও থাকতে পারে, যারা সামনে ভালো আচরণ করলেও অন্তরে হিংসা পোষণ করে। আপনার সাফল্যে খুশি না হওয়া, গোপন কথা প্রকাশ করা বা ভালো কাজ থেকে নিরুৎসাহিত করা—এসব আচরণ বিষাক্ত বন্ধুত্বের লক্ষণ।
গবেষণায়ও দেখা গেছে, মানুষের সুখ ও দীর্ঘায়ুর ক্ষেত্রে সম্পর্কের মান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভালো বন্ধু মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়, আর খারাপ বন্ধু মানসিক চাপ ও উদ্বেগ বাড়ায়।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হয়েছে, এমন বন্ধু থেকে দূরে থাকা উচিত যারা মানুষকে সৎ পথ থেকে বিচ্যুত করে। ভালো বন্ধু সেই, যে সৎ কাজের প্রতি উৎসাহ দেয় এবং নৈতিকতার পথে চলতে সহায়তা করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের বন্ধুমহল মূল্যায়ন করা জরুরি। যে বন্ধুত্ব আপনাকে ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে, সেটিই ধরে রাখা উচিত। আর যে সম্পর্ক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়, সেখান থেকে সম্মানজনক দূরত্ব বজায় রাখা প্রয়োজন।
সিএ/এমআর


