Monday, September 14, 2026
32 C
Dhaka

শরৎকাল: কাশের দেশে যখন প্রকৃতি হাসে !

ইভান পাল ||

আজ কবিগুরুর একটা গান ভীষণ মনে পড়ছে—

“আজি ধানের ক্ষেতে রৌদ্র ছায়ায়,
লুকোচুরির খেলারে ভাই —
লুকোচুরি র খেলা।
নীল আকাশে কে ভাসালে,
সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই
লুকোচুরির খেলা। ”

কেনো মনে পড়ছে? কারণ, গত ১৫তারিখের পর থেকেই দেখছি বাংলার প্রকৃতি টা কেমন যেনো হয়ে গেছে। এই যেমন —

আজ সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই একটা জিনিস খুব ভালোভাবে প্রত্যক্ষ করছি। আর তা হচ্ছে— “হালকা মিষ্টি একটা বাতাস”। কবি সাহিত্যকরা যে বাতাসটিকে হয়তোবা বলেন— ভালোবাসার বাতাস।

হুম্ম ঠিক তাই। ভালোবাসার বাতাস। যেটা সত্যি মনকে ভালোবাসতে শেখায়। আর জানি,সে বাতাস আলতো করে ছুয়েঁ দিয়ে বলে, “ভালোবাসো সব্বাই। আর ভালোবাসো নিজেকে। প্রকৃতিকে আপন করে নিয়ে, হাসতে থাকো মন খুলে”।।

ওমা! তারপরে আকাশের দিকে চোখ পড়তেই দেখি, সাদা মেঘের দল ছুটাছুটি করছে। মেঘ তো আকাশে থাকেই। এ আবার নতুন কি… কিন্তু কথা তো তা না। কথা হচ্ছে— মাঠের ধারে চোখ পড়তেই দেখি সাদা রঙ্গের কাশ ফুল।।

তার মানে কি বর্ষা বিদায়! আর শরৎ এর আগমন ঘটেছে প্রকৃতিতে!

হুম্ম, ঠিক তাই। বর্ষাকে বাঙ্গালি বিদায় জানিয়েছে গত ১৫তারিখ। কারণ, বাংলা বর্ষ পঞ্জি অনুযায়ী গত ১৬ই আগষ্ট থেকে বাংলা প্রকৃতির রাজ্যে শরৎ এর আগমন ঘটেছে।

আর তাই ই আমার আজ রবি ঠাকুরের সেই গান টি মনে পড়ছিলো। যেখানে কবি গুরু নিজেই বলেছিলেন,নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই, লুকোচুরির খেলা।।

আসলেই তাই। এই যে নীল কিংবা আসমানি আকাশে যখন সাদা মেঘ, সূর্য্যি মামার আলোর নৌকো তে ঢুকে টুক করে আধারঁ নামিয়ে বলে, “হিহিহি। আমি মেঘ। তোমাদের সূর্য্যি মামার গরমের তেতো আলোর থেকে একটু মিস্টি করে ছুয়েঁ দিতে এলাম”

আর তাই বুঝি আজ আমাদের এই পল্লী প্রকৃতি এভাবে সেজেছে। আর তার সব রুপ এভাবে ঠিকরে পড়ছে!

ঋতু বৈচিত্র‍্যের দেশ বাংলাদেশ। বারো মাসের ৬টি ঋতু আমাদের এই প্রকৃতিকে নতুন ভাবে সাজায়। ভালোবাসা ছড়িয়ে দেয়, সব খানে।। সে পুরনো কথা। আমার পাঠকরা চেচিয়ে উঠে হয়তোবা তাই ই বলবেন। আবার এও বলতে পারেন— এগুলো আমরা বাংলা রচনায় মুখস্থ করতে, করতে, করতে ঠোঠস্থ সুদ্ধ করে ফেলেছি। এখন আব্বার!!

আরে বাবা, বুঝলাম। আমি কিন্তু এই ক’টা লাইন বলবার জন্য আসিনি। এসেছি— ঋতু রানি শরতের বন্দনা করতে। তার গল্প পাড়তে প্রিয় পাঠক আপনাদের সাথে।

প্রকৃতি নিয়ে চারটা লাইন খুব বেশি শুনি—

বিশ্বকবির সোনার বাংলা,
নজরুলের বাংলাদেশ।
জীবনানন্দের রুপসী বাংলা–
রুপের যে তার নেইকো শেষ। “

কিন্তু এবার আমি যদি বলি,এগুলো ও পুরনো উক্তি।
তবে এই কথাটি শতভাগ সত্যি যে— যুগে যুগে বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক রা এসেছেন। আর তারাঁ বাংলার এই ভুবনভোলানো প্রকৃতির বন্দনা করে গেছেন।

এইযে ঋতু নিয়ে এত্ত বকবক করলাম, ঋতু কি তা কি আমরা জানি? আসুন একটু জেনে নেই, ঋতু কি…

ঋতু হচ্ছে, বছরের একটি খণ্ডবিশেষ যা নির্দিষ্ট সার্বজনীন কোন সূত্রের ভিত্তিতে স্থির করা হয়। সচরাচর স্থানীয় আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে বৎসরের ঋতু বিভাজন করা হয়। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ই কিন্তু এইযে চারটি প্রধান ঋতু চোখে পড়ে। বসন্ত, গ্রীষ্ম, হেমন্ত ও শীত। আবার কোন কোন দেশের অধিবাসীরা ঋতুকে আরো কয়েকভাগে বিভক্ত করেছেন। তন্মধ্যে বাংলাদেশে তো বটেই! সে সাথে অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্যেও ৬টি ঋতু বিদ্যমান। (তথ্য: উইকিপিডিয়া)

আর বাংলা বর্ষপঞ্জী অনুযায়ী ঋতু ৬প্রকার। এই বারোটি মাসের মধ্যে প্রতি দুই মাস পর পর ছয়টি ঋতুর আগমন ঘটে।

মূলত: গ্রীষ্ম ঋতু আসে— মধ্য-এপ্রিল ও মধ্য-জুন এর সময়টাতে। বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ এ দুমাস হচ্ছে এ ঋতুর সময়কাল।।

এরপরে আসে বর্ষা। মধ্য-জুন থেকে মধ্য-আগস্ট মিলিয়ে হয় আষাঢ় ও শ্রাবণ মাস। এসময় ই হচ্ছে — বর্ষা ঋতুর আগমনের সময়।

আবার মধ্য-আগস্ট থেকে মধ্য-অক্টোবর হলো— ভাদ্র ,আশ্বিন। আর এ দুমাসের ঋতু হলো আমাদের ঋতু রানী শরৎ।।

আর মধ্য-অক্টোবর থেকে মধ্য-ডিসেম্বর কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস। এসময়ের ঋতু হচ্ছে– হেমন্ত।

মধ্য-ডিসেম্বর থেকে মধ্য-ফেব্রুয়ারি হচ্ছে — পৌষ ,মাঘ মাস। আর এদুটি মাস ই হচ্ছে কনকনে ঠান্ডা আর আমুদে ঋতু শীত এর সময়।

আর সবশেষে ঋতু রাজ বসন্ত আসে, মধ্য-ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্য-এপ্রিল পর্যন্ত এই সময়টাতে। আর তখন সে প্রকৃতির রাজ্যে বিচরণ করে। আর বাংলা মাস হচ্ছে— ফাল্গুন ও চৈত্র মাস।

যাক, আবার শরৎ বন্দনায় ফিরি।

শরৎ নিয়ে উইকিপিডিয়া কি বলছে,একটু জেনে নেওয়া যাক।। উইকিপিডিয়া মতে—

— ভাদ্র ও আশ্বিন মাস মিলেই শরৎ কাল। যেটা হচ্ছে— বাংলার ষড়ঋতুর তৃতীয় ঋতু।

শরৎকে ইংরেজিতে “অটাম” বলা হলেও উত্তর আমেরিকায় একে “ফল” হিসেবে ডাকা হয়। পৃথিবীর ৪টি প্রধান ঋতুর মধ্যে একটি হচ্ছে শরৎকাল। উত্তর গোলার্ধে সেপ্টেম্বর মাসে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে মার্চ মাসে শরৎকাল, গ্রীষ্মকাল ও শীতকালের মধ্যবর্তী ঋতু হিসেবে আগমন করে। এসময় রাত তাড়াতাড়ি আসে এবং আবহাওয়া ঠাণ্ডা হতে থাকে। এই সময়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে পাতা ঝরা বৃক্ষে পাতার ঝরে যাওয়া।

শরৎ নিয়ে রবি ঠাকুরের বন্দনা—-

আজি কি তোমার মধুর মূরতি
হেরিনু শারদ প্রভাতে!
হে মাত বঙ্গ, শ্যামল অঙ্গ
ঝলিছে অমল শোভাতে।
পারে না বহিতে নদী জলধার,
মাঠে মাঠে ধান ধরে নাকো আর–
ডাকিছে দোয়েল গাহিছে কোয়েল
তোমার কাননসভাতে!
মাঝখানে তুমি দাঁড়ায়ে জননী,
শরৎকালের প্রভাতে।

শরৎ কে বলা হয়ে থাকে, ঋতু রানী।
আচ্ছা, রানী বলতে তো মেয়েদের ই বোঝায়। আর মেয়ে মানেই কিন্তু সেই সাজুগুজু র ১টা ব্যাপার আছে। আর যেহেতু শরৎ ঋতু রানী। তাই এর ক্ষেত্রে ও ভিন্নতা আসবে কেনো।

তাই শরৎ এর আগমন উপলক্ষে প্রকৃতিও অপরুপ সাজে সজ্জিত হয়।

আর প্রকৃতির সব থেকে বড় সাজুগুজু হচ্ছে — তার ফুল ও ফল। এগুলোই তার অলংকার। আর এসব ই তাকে কিন্তু সাজিয়ে তোলে।

শরতের প্রধান ফুল কিন্তু কাশ। যা শুরু থেকেই বলে আসছি। এছাড়াও শরতের আরো কিছু প্রধান ফুল হচ্ছে— শিউলী, কামিনী, হাসনাহেনা, দোলনচাঁপা, বেলী, ছাতিম, বরই, শাপলা, জারুল, রঙ্গন, টগর, রাধাচূড়া, মধুমঞ্জুরি, শ্বেতকাঞ্চন, মল্লিকা, মাধবী, কামিনী, নয়নতারা, ধুতরা, কল্কে, স্থলপদ্ম, কচুরী, সন্ধ্যামণি, জিঙে, জয়ন্তী ইত্যাদি নাম না জানা আরো হাজারো ফুল। আর এ ফুলের মিষ্টি গন্ধ কিংবা সৌরভ যাই বলি না কেনো, এগুলো আমাদের অন্য ভুবনে নিয়ে যায়। আর বাঙ্গালি জীবনে যেকোন ফুল ই কিন্তু আমাদের ভালোবাসতে শেখায়।

যেহেতু বর্ষার পরের ঋতু শরৎ। আর বর্ষা মানেই যখন, অনেক বৃষ্টি। জল টইটুম্বুর অবস্থা, সাথে বাতাসের স্নিগ্ধতা, তখন বাংলার মানুষ কে এর চেয়েও আরো খানিক টা মাখো মাখো ভাব দিতে কাসর, ঘন্টা বাজিয়ে ঋতু শরৎ আসেন।

আর আমি যদি আমাদের কবি সাহিত্যিক ও তাদের শরৎ বন্দনা নিয়ে বলতে যায়, তবে সেখানে সব্বার আগে আসবে কবিগুরুর নাম। এজন্যই তার কবিতা দিয়েই আজকের এই শরৎ বন্দনা শুরু করেছি।
বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায়—

কবিগুরু যখন পদ্মায় বোটে ভ্রমণ করছিলেন, তখন শরতের ময়ূরকণ্ঠী নীল নির্মল আকাশে শিমুল তুলার মতো শুভ্রমেঘেদের দল বেঁধে ছুটে বেড়ানো দেখে লিখেছিলেন—

“অমল ধবল পালে লেগেছে মন্দ মধুর হাওয়া- দেখি নাই কভু দেখি নাই এমন তরনী বাওয়া।”

আমাদের এই পল্লী প্রকৃতি নিয়ে কবিগুরু অসংখ্য বার তারঁ সৃষ্টির রং তুলির আচড় কেটেছেন। যার জন্য আমরা এই পল্লী প্রকৃতির রুপ কে তাঁর সৃষ্টিতেই বেশী অনুভব করি।

আর তারপরেই যদি বলি বাংলা সাহিত্যের আরেক প্রাণপুরুষ, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কথা। তিনি ও কিন্তু তারঁ অসংখ্য সৃষ্টিতে শরৎ বন্দনা করেছেন।।
শিউলি ফুলের মালা দোলে শারদ রাতের বুকে ঐ’ কিংবা ‘এসো শারদ প্রাতের পথিক ’ সহ অনেক গান কিংবা অনেক রচনাতেই এই বিদ্রোহী কবি শারদ বন্দনা করেছেন।

বাংলা সাহিত্যের আরেক কবি, যাকে বলা হয় রুপসী বাংলার কবি, কবি জীবনানন্দ দাশ। তিনি ও তারঁ ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যে ‘এখানে আকাশ নীল’ কবিতা তে শরৎ এর গান করেছেন।
এরকম আরো নাম জানা কিংবা অজানার লিস্টে থাকা অসংখ্য কবি, সাহিত্যকরা করে গেছেন প্রকৃতির ঋতু রাণী শরৎ এর বন্দনা।

এবার যদি শরতের উৎসবের কথায় ই বলি, তবে বলতে হয় —- হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার কথা। শরৎ এর এই দিনেই সকল হিন্দু ধর্মালম্বীরা সকল রকম অশুভ অবস্থা কিংবা অমঙ্গল থেকে রক্ষা পেতে মঙ্গলময়ী দেবী দুর্গার আরাধানা করেন। আর যেহেতু এ পুজা টি শরৎকালে হয়, তাই এ পুজা কে —- “শারদীয়া দুর্গাপূজা” ও বলা হয়ে থাকে।

শরৎ~ মানেই নদীর তীরে কাশফুল। নীল আকাশে কড়া রোদের মাঝে সাদা মেঘের উকিঁ ঝুকিঁ। কখনো বা আকাশে, রোদ আর মেঘেদের ঝগড়ার ফলে মারামারি। যার জন্য ঝুপ ঝুপ করে খানিক প্রচুর বৃষ্টি। আবার মেঘ কেটে গিয়ে রোদের তেতো শরবত। আর দূরের ঐ ফসলের মাঠে চোখ পড়তেই দেখা যায়, আমন ধানের চারা গুলো হেমন্তের অপেক্ষায় বসে আছে। কারণ, তখন ই যে ফসল কাটার সময়। আর কৃষকের মুখের কোণায় মৃদু হাসি। যেনো বোঝাতে চাইছে, আর মাত্র দুটো মাস। হেমন্ত এলেই ঘরে নতুন ফসল ঢুকবে।

শরৎ মানেই গাছে গাছে হাসনাহেনা আর বিলের মাঝে শাপলার সমারোহ৷ আবার এই শরৎ মানেই কিন্তু লন্বা ঐ তাল গাছে, পাকা তালের বাহার। সেই তাল দিয়ে তৈরি পিঠা, পায়েস৷ উফফ! যার স্বাদ অতুলনীয়!

আর শরতের পূর্ণিমা রাত মানেই হচ্ছে—
চাদঁ এর ঐ মিস্টি আলোর সাথে মাঝে মাঝে সেই সাদা মেঘেদের আবারো ঝগড়া। তখন চাদঁ কিছুটা মন খারাপ করে বসে থাকে। আবার তখন দক্ষিণা বাতাসের ঢেউয়ে কিন্তু ফসলের মাঠের সেই অপরুপ দৃশ্য জানি বার বার এই বাঙ্গালিদের ভালোবাসতে শেখায়।

একটু কাশফুল নিয়েই বলি। শরৎ এর প্রধান ফুল এই কাশ। বলা হয়ে থাকে— কাশফুল মানব মনের কালিমা দূর করে। মানব মনের সকল রকম ভয় দূর করে শান্তির বার্তা বয়ে আনে। শুভ কাজে কাশফুলের পাতা বা ফুল বেশী ব্যবহার করা হয়।

পরিশেষে, আমি শরৎ বন্দনা শুরু করেছিলাম কবিগুরুর গানের লাইন দিয়ে আর শেষ ও করব কবিগুরু র ই গানের লাইন দিয়ে। কারণ, বাঙ্গালিদের মধ্যে শরৎ বন্দনার সূচনা করেছিলেন কিন্তু কবিগুরু স্বয়ং। আর এরপরেই কাজী নজরুল ইসলাম সহ আরো অনেকে আসেন।

‘‘শরৎ তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি,
ছড়িয়ে গেল ছাপিয়ে মোহন অঙ্গুলি৷
শরৎ, তোমার শিশির-ধোওয়া কুন্তলে
বনের-পথে-লুটিয়ে-পড়া অঞ্চলে
আজ প্রভাতের হৃদয় ওঠে চঞ্চলি। 

যখন ই নদী তীরে কাশফুল দেখা যায়, তখন ই একরকম ধরে নেওয়া যায় যে শরৎ আসছে। বা প্রকৃতির রাজ্য ঋতু রানী চলে এসেছেন। তাই, মানুষ কে ঢাক ঢোল পিটিয়ে শরৎ বন্দনা করতে হয়না, প্রকৃতি ই তাদের রানী কে বরণ করে নিতে নিজেরা নিজেদের মতো সেজেগুজে তৈরী হয়।

আর তাই ই তো বললাম, কাশের দেশে প্রকৃতি হাসে। কাশফুল ফুটলেই প্রকৃতি দাতঁ খিলিয়ে হাসতে শুরু করে। কারণ, শরৎ মানেই ভালোবাসার ঋতু। প্রেমের ঋতু, স্নিগ্ধতা আর শুভ্রতার ঋতু। তাই সব্বাই নিজেকে ভালোবাসুন। অন্য কেও ভালো রাখুন, ভালোবাসুন। আর প্রকৃতির এই সাজুগুজুকে উপভোগ করুন। মন খুলে হাসতে থাকুন।

সব্বাইকে শরৎ এর কাশ ফুলের এক রাশ শুভেচ্ছা আর ভালোবাসা।

spot_img

আরও পড়ুন

বরগুনার মজলিসে না’তে মুস্তফায় সুরের মূর্ছনা ছড়াবেন বিটিভির ক্বারি এ এস এম ইয়াহইয়া

বদরুল ইসলাম (বরগুনা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায়...

২৪ সেপ্টেম্বর সুর সম্রাট আব্দুল মুনয়িম খান না’ত শোনাবেন বরগুনায়

বদরুল ইসলাম (বরগুনা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায় অনুষ্ঠিত...

গোল্ডেন ভয়েস আবু উবায়দা না’ত শোনাতে আসছেন বরগুনায়

বদরুল ইসলাম (বরগুনা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায়...

কুরআনের সুরে বরগুনা মাতাতে আসছেন শাইখ আহমদ বিন ইউসুফ আযহারী

বদরুল ইসলাম, বরগুনা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায় অনুষ্ঠিত...

জিকিরে বাড়ে মানসিক দৃঢ়তা, প্রশান্ত হয় হৃদয়

মানুষকে আল্লাহ তাআলা স্বভাবগতভাবেই দুর্বল হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। শারীরিক...

চট্টগ্রামে বন্যার তীব্রতা বৃদ্ধি, পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখের বেশি মানুষ

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন...

২৪ ঘণ্টা না খেয়ে থাকলে শরীরে কী ঘটে? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

টানা ২৪ ঘণ্টা উপবাস বা না খেয়ে থাকা সাম্প্রতিক...

মানসিক চাপ কি হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

বর্তমান ব্যস্ত জীবনযাত্রায় মানসিক চাপ অনেকের কাছেই নিত্যদিনের সঙ্গী।...

সিলেটে পূর্ণাঙ্গ সেবা চালু করল উবার

অ্যাপভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবাকে আরও বিস্তৃত করতে সিলেটে পূর্ণাঙ্গ...

মহাকাশে আধিপত্যের নতুন প্রতিযোগিতা, মুখোমুখি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

বিশ্বরাজনীতি, প্রযুক্তি ও বাণিজ্যের পর এবার মহাকাশকে কেন্দ্র করে...

বাড়িতেই তৈরি করুন সুস্বাদু চিংড়ি সমুচা

বিকেলের নাস্তা, অতিথি আপ্যায়ন কিংবা বন্ধুদের আড্ডায় সমুচা জনপ্রিয়...

পাকা আম দিয়ে সহজেই তৈরি করুন সুস্বাদু পোয়া পিঠা

গ্রীষ্মের মৌসুমে পাকা আম দিয়ে নানা ধরনের মিষ্টান্ন ও...

৮১০০ এমএএইচ ব্যাটারির ভিভো ওয়াই৫০০ আসছে, এক চার্জে ৩৫ ঘণ্টা ভিডিও দেখার দাবি

বাংলাদেশের বাজারে নতুন ব্যাটারিকেন্দ্রিক স্মার্টফোন ‘ভিভো ওয়াই৫০০’ আনার ঘোষণা...
spot_img

আরও পড়ুন

বরগুনার মজলিসে না’তে মুস্তফায় সুরের মূর্ছনা ছড়াবেন বিটিভির ক্বারি এ এস এম ইয়াহইয়া

বদরুল ইসলাম (বরগুনা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ধর্মীয় আয়োজন ‘মজলিসে না'তে মুস্তফা’। এ আয়োজনে সুরের মূর্ছনা ছড়াবেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের...

২৪ সেপ্টেম্বর সুর সম্রাট আব্দুল মুনয়িম খান না’ত শোনাবেন বরগুনায়

বদরুল ইসলাম (বরগুনা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ধর্মীয় আয়োজন ‘মজলিসে না'তে মুস্তফা’। এ আয়োজনে না'ত পরিবেশন করতে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর...

গোল্ডেন ভয়েস আবু উবায়দা না’ত শোনাতে আসছেন বরগুনায়

বদরুল ইসলাম (বরগুনা) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ধর্মীয় আয়োজন ‘মজলিসে না'তে মুস্তফা’। এ আয়োজনে না'ত পরিবেশন করতে বরগুনায় আসছেন...

কুরআনের সুরে বরগুনা মাতাতে আসছেন শাইখ আহমদ বিন ইউসুফ আযহারী

বদরুল ইসলাম, বরগুনা পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বরগুনায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ধর্মীয় আয়োজন ‘মজলিসে না'তে মুস্তফা’। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বাদ আসর বরগুনা সদরের...
spot_img