Wednesday, July 8, 2026
26.6 C
Dhaka

আবদুল্লাহ কাফির গল্প ‘জাদুর শহর’

জাদুর শহর
আবদুল্লাহ কাফি

বিকেল৷ পশ্চিম আকাশে সূর্য নেমে যাচ্ছে৷ সূর্যের আলো পড়েছে পানিতে৷ মনে হচ্ছে দু’টো সূর্য৷ আকাশে আর পানিতে৷ লোক সমাগম বাড়ছে৷ বিকেলে হাতিরঝিলে মানুষের ভালোই চাপ পড়ে৷ হাঁটতে বেড়াতে আসে৷ আবদ্ধ জীবনে একটু সতেজ নিঃশ্বাসের খোঁজে৷ আজ শুক্রবার৷ চাপ একটু বেশিই পড়বে৷ ছুটির দিন বলে কথা৷

সাইফ নিতুর সাথে শেষবার এখানে এসেছিলো সপ্তাহ দুই আগে৷ মঙ্গলবার বিকেলে৷ ওরা যতবার এসেছে, সোম মঙ্গলবারেই৷ সপ্তাহ’র মাঝে৷ সপ্তাহ’র মাঝে এদিকে চাপ কম থাকে৷ জটলা পছন্দ না নিতুর৷ কম মানুষের গোছানো পরিবেশ চাই তার৷ না হয় আজ ওকে ডাকতে পারতো সাইফ৷ বিকেলটা উপভোগ করতে পারতো৷

সাইফ৷ সাইফ উদ্দিন৷ গ্রামের পাঁচটা ছেলের মতোই একজন৷ সহজ৷ সরল৷ মালিবাগ একটা কলেজে পড়ে৷ বছর খানেক হলো ভর্তি হয়েছে৷ ঢাকায় আত্মীয় বলতে কাকা ছাড়া কেউ নেই৷ আপন না৷ একই গ্রামে বাড়ি, তাই৷ সাভার থাকে৷ চাকরী করে৷ ঢাকায় নতুন এসে একবার বেড়াতে গিয়েছিলো সাইফ৷ তারপর আর যায়নি৷ চাচীর চেহারা মনে পড়লেই বেড়ানোর ইচ্ছে চুকে যায়৷

বেকারের দুই বিপদ৷ তাড়াতাড়ি ক্ষুধা লাগা আর সময় না কাটা৷ সাইফ বিকেল থেকেই বেকার৷ সময় একেবারেই কাটছে না তার৷ বসে থেকে থেকে পিঠ ধরে গেছে৷ সময় কাটাবার জন্য সে একটু হাঁটে৷ বসে৷ আবার উঠে৷ হাঁটে৷ বসে৷ বিকেল থেকে এই একই কাজ করছে৷ হেঁটে হেঁটে আশপাশ দেখতে খারাপ লাগে না সাইফের৷ কিন্তু ক্ষুধা সে সুযোগ দেয় না৷ ক্লান্তি লাগে৷ দুপুর থেকে কিচ্ছু পড়েনি পেটে৷ সকালে হোস্টেলে খিচুরী খেয়ছিলো৷ বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা পেরুলো৷ রাত হচ্ছে৷ আকাশে চাঁদ উঠেছে৷ থালার মতো৷ সাইফ চাঁদকে ঝলসানো রুটি ভেবে ভুল করে৷ জোছনার আলোয় পানি দেখে তৃষ্ণা বেড়ে যায়৷ তৃষ্ণার চূড়ান্ত হয় রাস্তার পাশে ডিপ ফ্রিজ দেখে৷ পানির ঠান্ডা বোতল আর আইসক্রিম দেখে৷ ফ্রিজওয়ালার কাছে পানি চাইতে গেছিলো একবার৷ চায়নি৷ সাইফ ফ্রিজের পাশে দাড়িয়েছে৷ আট নয় বছরের একটা মেয়ে দৌড়ে এলো৷ ভাংতির জন্য৷ পঞ্চাশ টাকার নোট৷ ওজন মাপার একটা মেশিন নিয়ে ফুটপাতে বসে মেয়েটা৷ ভাংতির জন্য নোট এগিয়ে দিতেই দোকানি খপ করে মেয়ের হাতটা ধরে ফেললো৷ ‘বলো৷ তোমার নাম বলো৷ নাম বললেই ভাংতি দেবো৷’ কাচুমাচু হয়ে যায় সে৷ লজ্জায় লাল হয়ে উঠে চেহারা৷ বলে, ছাড়েন৷ হাত ছাড়েন৷ আমার ভাংতি লাগবো না৷
হ্যাচকা টানে হাত ছাড়িয়ে চলে যায়৷ রাগে, ঘৃণায় সাইফের মুখে থু থু এসে যায়৷ কার কাছে সে পানি চাইতে এসেছে!

রাত বাড়ার সাথে সাথে হাতিরঝিলের চেহারা পাল্টে যাচ্ছে৷ মানুষ কমতে শুরু করেছে৷ সন্ধ্যায় গিটার নিয়ে গান করা দলগুলোও উঠে যাচ্ছে৷ বাড়ি ফিরছে৷ পানিতে ভাসতে থাকা বোটগুলো নেই৷ সব পাড়ে বাঁধা৷ অথচ, সন্ধ্যায় এগুলো এখানে সেখানে ভাসছিলো৷ চলছিলো৷ প্রেমিকার হাত ধরে দূরে ভাসিয়ে নিচ্ছিলো প্রেমিক৷ স্ত্রীর পাশে স্বামী৷ সাইফ বুঝতে পারছে না, এখন তার কি করা উচিত৷ রাতটা হাতিরঝিলেই কাটিয়ে দেবে নাকি অন্য কোথাও? ভেবেছিলো, একটাই তো রাত৷ হাতিরঝিলে হেঁটে বসে কাটিয়ে দেবে৷ হাতিরঝিল এমন খালি হয়ে যাবে, সে ভাবেই নি৷ হাতিরঝিল ছাড়া যাবেই বা কোথায়? ঢাকায় সে নতুন৷ চিনে খুব কম জায়গা৷ চিন্তা হচ্ছে ওর৷ ওর চিন্তায় ছেদ পড়ে এক মহিলার প্রশ্নে৷
—কি মামা? লাগবো নাকি?
সাইফ সহজ করে উত্তর দেয়,
—লগবো মানে? আমার কিছু লাগবে না৷
মহিলাটা কেমন ভেংচি কেটে চলে যায়৷ সাইফ বুঝে না, কি এমন বললো সে!

জুমার নামাজ পড়ে হোস্টেলে এসেছে সাইফ৷ একটু পরেই জনি দাঁড়িয়ে তার দরজায়৷ সাইফ খানিক অবাক হয়৷ জনি উপর ক্লাসের ছাত্র৷ রাজনীতি করে৷ কলেজে তার ভালোই দাপট৷ সাইফকে ডেকেই দিলো এক থাপ্পড়৷ তারপর অকথ্য গালি৷ জনির সাথে আরো কয়েকজন৷ তারই সাঙ্গোপাঙ্গো৷ রুমেল জনির খাস লোক৷ সবাই বলে ডান হাত৷ রুমেল এগিয়ে এসে বলে, তোরে ওয়ার্নিং দিছিলাম না? কইছিলাম না ভাবীর সাথে না মিশতে৷ নিতু প্রেম করলে একমাত্র ভায়ের সাথেই করবে৷ যা শালা৷ ভাগ৷ তোরে হোস্টেলেই থাকতে দিমু না৷ দেখি তোর কোন বাপে কি করে!
আরেকজন সাইফের ফোন কেড়ে নেয়৷ আছড়ে ভেঙ্গে ফেলে৷ সাইফ আকুতি-মিনতি করে৷ জনির পায়ে পড়ে৷ কাঁদে৷ কে শোনে কার কথা৷ জনিরা আরো চটে যায়৷ সাইফকে মারধর করে৷ বের করে দেয় হোস্টেল থেকে৷ বলে দেয়, হোস্টেলের ত্রিসীমানায় আর যেনো না দেখে৷

হাতিরঝিল জনমানব শূন্য৷ সাইফের সাথে ঘড়ি নেই৷ চাঁদ মধ্য আকাশে৷ লোকজন নেই৷ মাঝে মাঝে দু’য়েকজনকে দেখা যায় খুব দ্রুত হেঁটে যেতে৷ এর মানে অনেক রাত৷ যে দু’য়েকজনকে দেখা যায়, এরা হয়তো কোনো কাজে আটকে গিয়েছিলো৷ নয়তো কোনো কাজে বেরুচ্ছে৷ বিকেলের গল্পে মেতে উঠা, আড্ডাবাজ মানুষগুলোকে সাইফ মনে মনে খুঁজে৷ কেউ নেই৷ কোথাও নেই৷ সাইফ একা৷ ভয় ভয় লাগে৷ ক্ষুধা বাড়ছে৷ এক লোক বিশ টাকায় তাকে ‘পুটলা’ সেধেছিলো৷ সে টাকা নেই বলে বিদেয় করে দিয়েছে৷ এখন ‘পুটলা’র কথা মনে পড়লেই সাইফের ক্ষুধা বেড়ে যাচ্ছে৷ বিশ টাকা থাকলেই হতো৷ এক পুটলায় কিছু না হোক, পেটের জ্বালা একটু তো কমতো!

দুপুরে হোস্টেলের দ্বায়িত্বশীল কেউ ছিলো না৷ কারো কাছে নালিশ করেতে পারেনি৷ সাইফের দু’জন বন্ধু আছে৷ ঢাকার বাসিন্দা৷ ফোন থাকলে ওদের সাথে যোগাযোগ করতে পারতো৷ বসায় যেতে পারতো৷ হোস্টেল থেকে সোজা হাতিরঝিলে চলে এসেছে সে৷ জায়গাটা তার চেনা৷ আগে এসেছে কয়েকবার৷ কিন্তু রাতের এই ভয়ানক নির্জন, গা ছমছমে পরিবেশের সাথে পরিচিত না সে৷ সে দেখেছে গানের দল, বন্ধুদের দৌড় ঝাপ আর প্রেমিকদের হাতে হাত৷ ঘুরতে আসা পরিবার, বিকট শব্দ করে দৌড়ানো বাইক আর হাতিরঝিল চক্রাকার বাস সর্ভিসের বাসে ঝুলতে থাকা যাত্রী৷ বাদাম, পানি আর সিগারেট বিক্রেতা৷ তার টেনশন বাড়ছে৷ একা একা কি না কি হয়! জোছনায় চারপাশ ঝলসে যাচ্ছে৷ পুকুরের পানি চিকচিক করছে৷ আকাশে ফুটেছে তারকারাজি৷ ভয়, ক্ষুধা আর টেনশনের ভেতরও সাইফ ভাবে, নিতু থাকলে খারপ হতো না৷ জোছনা বিলাস বলে কিছু থাকলে, এটাই প্রকৃত সময়৷ শুনশান পরিবেশ৷ নিরব নির্জন৷ দশ আঙুলকে পাঁচ আঙুল করে প্রেমের গল্প৷ চাঁদ, তারা আর আকাশের গল্প৷ ভাবতেই ভালো লাগে৷

রাস্তার পাশে বসে আছে সাইফ৷ সবুজ ঘাসে৷ ভাবছে শুয়ে পড়বে কিনা৷ ঘুমে ঢুলু ঢুলু চোখ৷ গাছ থেকে কয়েকটা পাতা ছিঁড়ে নিলে ভালো হয়৷ গায়ে ময়লা লাগার চান্স থাকবে না৷ রাতটা কাটলেই হয়৷ এটা হবে সাইফের জীবনের সেরা রাত৷ নিতুর সাথে গল্প করা যাবে৷ নিতু অবাক হয়ে বলবে, তারপর? চাঁদ দেখতে দেখতে ঘুমিয়ে গেলে? আমার কথা একবারও মনে পড়লো না? সাইফ নিতুর কপালের এলোমেলো চুল সরাতে সরাতে বলবে, মনে পড়েছে৷ খুব মনে পড়েছে৷ ভরা জোছনায় তোমায় সব সময়ই মনে পড়ে৷ এসব ভাবতে ভাবতে গাড়ির ব্রেক কষার শব্দে পেছনে তাকালো সে৷ একটা গাড়ি থেমেছে ওপাশে৷ এতো রাতে এখানে গাড়ি থামার কথা না৷ সেই কখন থেকে রাস্তায় গাড়িই নেই৷ যাও দু’য়েকটা আসে, শাঁই শাঁই করে বেরিয়ে যায়৷ গাড়িটা নষ্ট হয়ে গেলো নাকি! দু’জন লোক গাড়ি থেকে নেমে তার দিকে এগুচ্ছে৷ সাইফ ওদের খেয়াল করছে৷ কাছে আসার পর বুঝলো, দু’জন পুলিশ৷ খাকি পোষাক পরা৷ তাহলে ওটা পুলিশ ভ্যান৷ সে কি করবে ভেবে পাচ্ছে না৷ পুলিশ তার কাছে কেনো আসবে!
—কিরে! এতো রাতে এখানে কি করস? কিছু খাইছস নাকি ধান্দা করস, হ্যা? চল, স্যারের কাছে চল৷
পুলিশ দু’জন সাইফকে টেনে তুলে৷ অবাক হয়ে বলে সাইফ, কিসের ধান্দা স্যার? কোনো ধান্দা না৷ এমনি বসে আছি৷
—চোপ শালা৷ মুখে মুখে কথা? চল, স্যারের কাছে চল৷
সাইফকে পুলিশ দু’জন টেনে নিয়ে যায় গাড়ির কাছে৷ মনে মনে ভাবে সাইফ, সে আবার কিসের ধান্দা করবে? খাবেই বা কি? সেই দুপুর থেকে তো কিছুই খায়নি৷ একটু পানিও না৷
—স্যার! গাছতালায় একা একা বসে ছিলো৷ ব্যাবসা ট্যাবসা করে মনে হয়৷ পুলিশ দু’জন তাদের স্যারের কাছে বলে৷ ভ্যানের সামনে ড্রাইভারের সাথে বসা মোটা মতোন পুলিশটা এবার মুখ খোলে৷
—কিসের ব্যাবসা করস?
—কোনো ব্যাবসা করি না স্যার৷
—তাইলে এতো রাতে এখানে কি করস?
—কিছু করি না৷ এমনি বসে আছি স্যার৷
—এমনি? থানায় চল৷ ডান্ডার বারি পড়লে ঠিকই বলবি৷
সাইফকে পুলিশ দু’জন ধরে রেখেছে৷ কিছুটা ভড়কে যায় সাইফ৷ ফ্যাকাসে চেহেরা নিয়ে কি বলবে ভেবে পায় না৷ কিসের ব্যাবসা? কিসের থানা? ডান্ডাই বা কেনো মারবে? সাইফ মিনতির সুরে বলে, আমি কিছু করিনি স্যার৷ বিকাল থেকে এমনি বসে আছি৷ থাকার জায়গা নেই স্যার৷ অফিসার এবার রেগে উঠে৷ পুলিশ দু’জনকে ধমক দিয়ে বলে, যাও৷ গাড়িতে তুলো৷ শালারে থানায় নিয়া বানানি দিলেই সব বের হবে৷ শালা৷ বিকাল থেকে বসে আসে৷

সাইফকে পুলিশ ভ্যানে তোলা হচ্ছে৷ ‘কিছু করিনি, কিছু করিনি’ বলে কাকুতি-মিনতি করছে সাইফ৷ দূর থেকে ভেসে আসছে গানের সুর৷ ‘ঢাকার শহর, জাদুর শহর৷

spot_img

আরও পড়ুন

নরওয়েতে দ্রুত বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা, কমছে চার্চের সদস্য

ইউরোপের দেশ নরওয়েতে ধর্মীয় জনসংখ্যার চিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা...

সুইডেনে পেশাজীবী মুসলিমদের নতুন বাস্তবতা: সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে সামাজিক চ্যালেঞ্জ

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের দক্ষিণে অবস্থিত সোডারটেলিয়া শহরে গত এক...

প্যারাগুয়েতে মুসলিমদের জীবনযাপন: ছোট একটি সম্প্রদায়ের ধর্মচর্চা, ইতিহাস ও বর্তমান বাস্তবতা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়েতে মুসলিমরা সংখ্যায় খুবই কম হলেও...

পরকালের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন ৩ উপায়ে

পৃথিবীর জীবনে মানুষ নানা পরিকল্পনা করলেও একটি সত্য থেকে...

যে কৌশলে মিসর বিজয় করেছিলেন সাহাবি আমর ইবনুল আস (রা.)

মুসলিম ইতিহাসে সাহস, কূটনৈতিক দক্ষতা ও রণকৌশলের জন্য বিশেষভাবে...

তীব্র তাপপ্রবাহে সবার জন্য খুলে দেওয়া হলো ফ্রান্সের কয়েকটি মসজিদ

তীব্র তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত ফ্রান্সে মানবিক উদ্যোগ হিসেবে কয়েকটি মসজিদের...

নরওয়ের উত্তরে মুসলিমদের ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে আল-রহমা ও আন-নূর মসজিদ

উত্তর মেরুর কাছাকাছি অবস্থিত নরওয়ের ছোট শহর ত্রোমসোতে গড়ে...

ফেরাউনের সামনে যেভাবে নিজের পরিচয় তুলে ধরেছিলেন হজরত মুসা (আ.)

হজরত মুসা (আ.) যখন আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রাপ্ত বার্তা...

কাতারে উদ্বোধন হলো প্রথম স্মার্ট মসজিদ, কমবে বিদ্যুৎ ও পানির ব্যবহার

কাতারে প্রথমবারের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি স্মার্ট মসজিদ উদ্বোধন...

৫ আগস্টের আগেই উদ্বোধন হতে পারে জুলাই জাদুঘর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত জুলাই জাদুঘর আগামী ৫...

নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাব দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিসভায়, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের...

টানা ভারী বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে নগরবাসী

টানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক জলাবদ্ধতার...

সার্কের বর্তমান সংকট শুধু রাজনৈতিক নয়, প্রাতিষ্ঠানিকও: শামা ওবায়েদ

দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট সার্কের বর্তমান অচলাবস্থা শুধু...

বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পেল সিরিয়ার ঐতিহাসিক আল-ওমারি মসজিদ

সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দেরা শহরে অবস্থিত ঐতিহাসিক আল-ওমারি মসজিদ ইসলামি...
spot_img

আরও পড়ুন

নরওয়েতে দ্রুত বাড়ছে মুসলিম জনসংখ্যা, কমছে চার্চের সদস্য

ইউরোপের দেশ নরওয়েতে ধর্মীয় জনসংখ্যার চিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। দেশটির ঐতিহ্যবাহী চার্চ অফ নরওয়ের সদস্যসংখ্যা ধারাবাহিকভাবে কমলেও মুসলিম কমিউনিটির পরিধি দ্রুত বিস্তৃত হচ্ছে।...

সুইডেনে পেশাজীবী মুসলিমদের নতুন বাস্তবতা: সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে সামাজিক চ্যালেঞ্জ

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমের দক্ষিণে অবস্থিত সোডারটেলিয়া শহরে গত এক দশকে মুসলিম সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য সম্প্রসারণ ঘটেছে। তবে এই পরিবর্তনের পেছনে রাজনৈতিক আশ্রয় বা নতুন কোনো...

প্যারাগুয়েতে মুসলিমদের জীবনযাপন: ছোট একটি সম্প্রদায়ের ধর্মচর্চা, ইতিহাস ও বর্তমান বাস্তবতা

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ প্যারাগুয়েতে মুসলিমরা সংখ্যায় খুবই কম হলেও দেশটির ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রায় ৭৪ লাখ মানুষের এই দেশে মুসলিমের...

পরকালের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করুন ৩ উপায়ে

পৃথিবীর জীবনে মানুষ নানা পরিকল্পনা করলেও একটি সত্য থেকে কেউই মুক্ত নয়—মৃত্যু। ইসলামের দৃষ্টিতে মৃত্যু কোনো সমাপ্তি নয়; বরং এটি অনন্ত জীবনের সূচনা। তাই...
spot_img