চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের অভিযোগে বাংলাদেশ থেকে আপলোড করা ১ কোটি ৩২ লাখ ১৮ হাজার ৪টি ভিডিও অপসারণ করেছে ভিডিওভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, সরিয়ে দেওয়া ভিডিওগুলোর ৯৪ দশমিক ৪ শতাংশই প্রকাশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে মুছে ফেলা হয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিকটক তাদের সর্বশেষ ‘কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট’ প্রতিবেদনের তথ্য তুলে ধরে। এতে বলা হয়, নিরাপদ ও নীতিমালাসম্মত প্ল্যাটফর্ম নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে ভিডিও পর্যবেক্ষণ এবং নীতিমালা লঙ্ঘনকারী কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী মোট ১৮ কোটি ৪০ লাখ ১২ হাজার ৫৭৬টি ভিডিও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি ওই সময়ে প্ল্যাটফর্মে আপলোড হওয়া মোট ভিডিওর প্রায় শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।
মুছে ফেলা ভিডিওগুলোর মধ্যে ১৭ কোটি ৮০ লাখ ১৪ হাজার ১৫৪টি ভিডিও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়। তবে পরবর্তী পর্যালোচনায় ৮৮ লাখ ৩৮ হাজার ৭১০টি ভিডিও পুনরায় প্ল্যাটফর্মে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও ব্যবহারকারীদের আস্থা বজায় রাখতে একই সময়ে বিভিন্ন ভিডিওতে করা ২৩ কোটি ৭৫ লাখ ১৭ হাজার ১২৮টি মন্তব্যও মুছে ফেলা হয়েছে। পাশাপাশি ৮ কোটি ৬২ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৫টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট এবং ১৩ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের ২ কোটি ৫৭ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২টি অ্যাকাউন্টও অপসারণ করা হয়েছে।
টিকটকের তথ্য অনুযায়ী, সরিয়ে দেওয়া ভিডিওগুলোর ১৮ দশমিক ৬ শতাংশে এমন সংবেদনশীল বিষয়বস্তু ছিল, যা প্ল্যাটফর্মের কনটেন্ট নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া ১২ দশমিক ৬ শতাংশ ভিডিও নিরাপত্তা ও সামাজিক আচরণবিষয়ক নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে অপসারণ করা হয়েছে।
সিএ/এমআর


