ম্যাচের নির্ধারিত সময় শেষ হতে তখন মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। দীর্ঘ সময় ধরে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না কোনো দল। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছিল পয়েন্ট ভাগাভাগিই হতে যাচ্ছে ম্যাচের শেষ পরিণতি।
কিন্তু শেষ মুহূর্তে বদলে যায় পুরো চিত্র। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে আইভরি কোস্টকে মূল্যবান জয় এনে দেন আমাদ দিয়ালো।
নাটকীয় মুহূর্তটি তৈরি হয় বক্সের ভেতরে। সতীর্থ উইলফ্রেইড সিনগোর পাস পেয়ে সামনে থাকা প্রতিপক্ষের চাপ সামলে বল জালে পাঠিয়ে দেন ২৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। তার একমাত্র গোলেই শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ে আইভরি কোস্ট।
পুরো ম্যাচজুড়ে দুই দলই গোলের জন্য সমানভাবে চেষ্টা চালিয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আক্রমণ তৈরি হলেও শেষ স্পর্শে ঘাটতির কারণে বারবার হতাশ হতে হয়েছে ফুটবলারদের। ফিলাডেলফিয়ার ম্যাচে গোল যেন অধরাই হয়ে উঠেছিল।
তবে শুধু আক্রমণে নয়, ম্যাচে ভাগ্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দুই দলের মোট চারটি শট গোলবারে লেগে ফিরে আসে। এর মধ্যে তিনবারই হতাশ হতে হয় ইকুয়েডরকে। অন্যদিকে ৫২তম মিনিটে নিশ্চিত সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আইভরি কোস্টও।
রক্ষণভাগের দৃঢ়তা এবং দুই দলের গোলরক্ষকদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ ম্যাচকে দীর্ঘ সময় গোলশূন্য রেখেছিল। ফলে ম্যাচটি ধীরে ধীরে ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল।
কিন্তু শেষ বাঁশি বাজার আগমুহূর্তে আমাদের এক ঝলক উজ্জ্বলতা বদলে দেয় পুরো সমীকরণ। তার গোলে আইভরি কোস্ট তুলে নেয় গুরুত্বপূর্ণ জয় এবং শুরু করে উচ্ছ্বাস।
শেষ পর্যন্ত নাটকীয় এই জয় দলটির আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে এবং টুর্নামেন্টের শুরুতেই ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে আইভরি কোস্ট।
সিএ/এমই


