২০২৬ বিশ্বকাপে নিজেদের যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে মিসর। তবে মাঠের লড়াই শুরুর আগেই আলোচনায় উঠে আসে দলটির জার্সি। ঐতিহ্যের অংশ হয়ে ওঠা সাতটি তারকা সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত ঘিরে সমর্থকদের মধ্যে তৈরি হয় বিতর্ক। সেই আলোচনাকে পেছনে ফেলে এখন মাঠের পারফরম্যান্সেই মনোযোগ দিচ্ছে উত্তর আফ্রিকার দলটি।
মিসরের জার্সিতে থাকা সাতটি তারকা দেশটির আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের সাতবারের শিরোপাজয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে বিশ্বকাপের সরঞ্জাম ও ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে ফিফার নির্দেশনায় সেই তারকাগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়। পাশাপাশি জার্সিতে ব্যবহৃত সোনালি রঙের নাম ও নম্বরেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেকের মতে, সাতটি তারকা শুধু নকশাগত উপাদান নয়, বরং আফ্রিকান ফুটবলে মিসরের দীর্ঘ সাফল্যের প্রতীক। ফলে জার্সির পরিবর্তনকে অনেক সমর্থক আবেগের জায়গা থেকে দেখেছেন।
তবে দলীয় শিবিরে এখন মূল লক্ষ্য মাঠের ফুটবল। বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপে শক্ত প্রতিপক্ষ বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে মিসরের অভিযান। একই গ্রুপে রয়েছে ইরান ও নিউজিল্যান্ড। নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামবে দলটি।
মিসরের সবচেয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক ও তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ। দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেওয়া এই ফুটবলারের দিকেই তাকিয়ে আছে সমর্থকেরা। বিশ্বমঞ্চে নতুন সাফল্যের গল্প লেখার প্রত্যাশাও তার কাঁধে।
দলের ভেতরে বিশ্বাস, জার্সির নকশা বদলালেও ইতিহাস বদলায় না। আফ্রিকার সবচেয়ে সফল দলগুলোর একটি হিসেবে অর্জনের স্মৃতি নিয়েই বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে চায় মিসর।
তাই বিতর্কের আলোচনার বাইরে গিয়ে এখন বেলজিয়ামের বিপক্ষে প্রতিযোগিতামূলক শুরু করাই লক্ষ্য সালাহ ও তার সতীর্থদের।
সিএ/এমই


