গরমের সময় ঘাম হওয়া স্বাভাবিক শারীরিক প্রক্রিয়া। তবে অনেকের ক্ষেত্রে আবহাওয়া ঠান্ডা থাকলেও অতিরিক্ত ঘাম হতে দেখা যায়, যা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে কোনো রোগ না থাকলেও স্নায়বিক প্রভাবের কারণে ঘর্মগ্রন্থি বেশি সক্রিয় হলে এমনটি হতে পারে।
এ ছাড়া ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা, মেনোপজ বা মানসিক চাপ থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে। তাই এই সমস্যাকে অবহেলা না করে কারণ নির্ণয় করা গুরুত্বপূর্ণ।
অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণে জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন আনা যেতে পারে। গরমকালে ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরলে শরীর স্বস্তিতে থাকে এবং ঘাম কম হয়। অন্যদিকে সিনথেটিক কাপড় ঘাম আটকে রেখে অস্বস্তি বাড়ায়।
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করাও অত্যন্ত জরুরি। এতে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং ঘাম কমে। মেথি ভেজানো পানি পান করা বা চন্দনের ব্যবহারও উপকারী হতে পারে।
খাবারের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। অতিরিক্ত ঝাল, টক বা গরম খাবার এড়িয়ে চলা উচিত। তেল-মসলাযুক্ত খাবার কমিয়ে সুষম খাদ্য গ্রহণ করলে উপকার পাওয়া যায়।
তবে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি, কারণ এটি কখনো বড় কোনো শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।
সিএ/এমআর


