লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মদাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম (বিপ্লব) জামিনে মুক্তি পাওয়ার পরই জেলগেট থেকে আটক হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সকালে লালমনিরহাট জেলা কারাগার থেকে বের হওয়ার পর ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাঁকে আটক করেন।
পরে আদিতমারী উপজেলার বিএনপির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে ২০২৫ সালের ৩ মার্চ দায়ের করা একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে ছিলেন জাহাঙ্গীর আলম। সোমবার (১৬ মার্চ) লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হায়দার আলী তাঁকে ওই মামলায় জামিন দেন। তবে জামিনের কাগজপত্র দেরিতে কারাগারে পৌঁছানোয় সেদিন তিনি মুক্তি পাননি।
মঙ্গলবার সকালে কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর জেলগেটেই ডিবি পুলিশের সদস্যরা তাঁকে আটক করে নিয়ে যান বলে জানিয়েছেন তাঁর ছোট ভাই আইনজীবী হুমায়ুন কবির।
হুমায়ুন কবির বলেন, আদিতমারী উপজেলার একটি মামলায় তাঁর ভাইকে আটক দেখানো হয়েছে, যদিও তিনি ওই মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। মঙ্গলবার বিকেলে লালমনিরহাটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আদিতমারী থানার পুলিশের অনুরোধে তাঁকে জেলগেট থেকে আটক করা হয়।
এদিকে সম্প্রতি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ নিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে বিএনপির দুই নেতার কথোপকথনের অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বরাদ্দের একটি অংশ নিয়ে আলোচনা শোনা যায়। যদিও সংশ্লিষ্ট নেতারা ওই অডিও নিজেদের নয় বলে দাবি করেছেন।
জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারের দাবি, ওই অডিও ফাঁসের ঘটনার পর থেকেই তাঁকে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হচ্ছে।
সিএ/এমই


