চট্টগ্রামের রাউজানে গুলি করে যুবদল কর্মী মোহাম্মদ মুজিব (৫০) হত্যার ঘটনায় মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি নাঈমকে (২৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সময়ে মিরসরাইয়ের জোরারগঞ্জ এলাকায় কৃষক চৌধুরি মিয়া (৪০) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সাইদুল ইসলাম সাঈদীকে (৩৩) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-০৭। পৃথক অভিযানে দুইজনকে আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাসেল শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে জানান, বুধবার ইফতারের পর রাউজানে একদল দুর্বৃত্ত মোহাম্মদ মুজিবকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মুজিবের পরিবারের পক্ষ থেকে নাঈমকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাঈমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার মুজিব মেয়ে ঘটিত একটি বিষয় নিয়ে নাঈমদের গাল-মন্দ করেন, শাসা। এর জেরে নাঈম তার সঙ্গীদের নিয়ে মুজিবকে গুলি করে হত্যা করেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করছি এবং অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছি।’ পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে র্যাব-০৭ এর সহকারী পরিচালক এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, বুধবার সকালে জোরারগঞ্জ থানার ঠাকুরদিঘি বাজারের উত্তর পাশে ইটভাটা সংলগ্ন ফসলি জমি থেকে কৃষক চৌধুরি মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খুনিরা তার হাত-পা বেঁধে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হলে র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তিনি আরও জানান, হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সাইদুল ইসলাম সাঈদীকে জেলার সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জোরারগঞ্জ থানার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকার ছালামত উল্লাহর ছেলে। গ্রেপ্তারের পর তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সিএ/এএ


