যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের সম্ভাব্য শাটডাউন ঘিরে শুরু হয়েছে ব্যাপক উদ্বেগ। বাজেট নিয়ে কংগ্রেসে সমঝোতা না হওয়ায় এ অচলাবস্থা তৈরি হচ্ছে, যার ফলে অ-অত্যাবশ্যকীয় বিভাগে কর্মরত সাত লাখেরও বেশি সরকারি কর্মীকে সাময়িক ছুটিতে পাঠানো হতে পারে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বাজেট অনুমোদন না হলে সরকার বাধ্য হবে অনেক কার্যক্রম বন্ধ রাখতে। এতে বিপুল সংখ্যক কর্মী ছুটিতে যাবেন বেতন ছাড়াই। যদিও শাটডাউন শেষ হলে আইন করে তাদের বকেয়া বেতন দেওয়া হয়, তবুও তাৎক্ষণিক সংকটে পড়বেন তারা।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, শাটডাউন শুরু হলে দুই দিনের মধ্যেই ব্যাপক ছাঁটাই শুরু হবে। রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা একে অপরকে দোষারোপ করছে। রিপাবলিকানরা অস্থায়ী স্টপগ্যাপ ব্যবস্থার মাধ্যমে নভেম্বর পর্যন্ত তহবিল চালু রাখতে চাইছে। অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটরা বলছে, নিম্ন আয়ের আমেরিকানদের স্বাস্থ্যসেবা সুরক্ষায় সমঝোতার জন্য এই সময় ব্যবহার করতে হবে।
শাটডাউন হলে জরুরি কর্মীরা—যেমন সেনাবাহিনী, সীমান্তরক্ষী—বেতন ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাবেন। তবে অপ্রয়োজনীয় বিবেচিত সরকারি কর্মীরা বাধ্য হবেন বিনা বেতনে ছুটিতে যেতে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারকার শাটডাউন ২০১৮ সালের চেয়ে বড় হতে পারে। তখনও কিছু কর্মী ছুটিতে গিয়েছিলেন, তবে এবার প্রভাব পড়তে পারে প্রায় ৪০ শতাংশ ফেডারেল কর্মীর ওপর।
এরই মধ্যে কিছু সংস্থা থেকে কর্মীদের ছুটিতে পাঠানোও শুরু হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমনকি স্থায়ী ছাঁটাইয়ের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত স্বল্পমেয়াদী অর্থায়নের বিলের ওপর কংগ্রেসে আবার ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।
সিএ/এমআরএফ


