প্রাক্তনের বিয়ের আমন্ত্রণ পাওয়া বা না পাওয়া—দুই ক্ষেত্রেই অনেকের মনে একই প্রশ্ন জাগে, সেখানে যাওয়া উচিত কি না। অনেকের কাছে এর সহজ উত্তর ‘যাওয়ার দরকার নেই’, আবার কেউ একেবারেই অস্বীকার করেন।
একটি ঘটনার মাধ্যমে বিষয়টি সামনে আসে, যেখানে এক ব্যক্তি অন্যের বিয়েতে গিয়ে ভ্লগ তৈরি করেন এবং সেটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে সংশ্লিষ্ট পরিবারে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি হয়। বিষয়টি ঘিরে ব্যক্তিগত সম্পর্কের সূক্ষ্মতা ও সামাজিক প্রেক্ষাপট সামনে আসে।
সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নির্ভর করে মানসিক প্রস্তুতির ওপর। জন গটম্যান বলেন, ‘প্রাক্তনের বিয়েতে যাওয়া না যাওয়া নির্ভর করে আপনার মানসিক প্রস্তুতির ওপর। যদি এখনো মনে কষ্ট, বিদ্বেষ বা ঈর্ষা থাকে, তাহলে প্রাক্তনের বিয়েতে আপনার উপস্থিতি মানসিক জটিলতা বাড়াতে পারে।’ তাই অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি উপস্থিত না হয়ে শুভেচ্ছা পাঠানোই ভালো বিকল্প হতে পারে।
হেনরি ক্লার্ক মনে করেন, এমন পরিস্থিতি মানসিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে এবং বর্তমান সঙ্গীর অনুভূতিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘এমনিতেই দুজন ব্যক্তির দাম্পত্য বা রোমান্টিক সম্পর্কে জটিলতার অন্ত নেই। তাই যেসব ইয়েলো ফ্ল্যাগ অর্থাৎ সবুজ ও লালের মাঝামাঝি, সেসব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলে অবশ্যই এড়িয়ে যাবেন।’
তবে স্যান্ড্রা মিশেল বলেন, যদি সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে শেষ হয় এবং দুইজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকে, তাহলে সীমিতভাবে উপস্থিত হওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, ‘তবে সম্মানজনক, নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতেই হবে।’
বর্তমান সঙ্গীকে সঙ্গে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সতর্কতা জরুরি। কারণ এতে নতুন সম্পর্কেও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়াই উত্তম।
সিএ/এমআর


