বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই নিজের পরিচিত গোল করার দক্ষতার প্রমাণ দিলেন আর্লিং হালান্ড। দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর বিশ্বকাপ অভিষেকে মাঠে নেমে জোড়া গোল করে নরওয়ের হয়ে দারুণ সূচনা করেছেন এই তারকা ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই দুইবার বল জালে পাঠিয়ে দলের আক্রমণভাগের মূল ভরসা হয়ে ওঠেন হালান্ড। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধ তখনো বাকি থাকায় হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও ছিল তার সামনে।
প্রথম গোলটি আসে ২৯ মিনিটে। বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই গোল করে একটি ব্যতিক্রমী ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার। ক্লাব ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতাগুলোর অভিষেক ম্যাচে গোল করার যে রেকর্ড তিনি গড়েছিলেন, সেটি এবার বিশ্বকাপেও যুক্ত হলো।
এর আগে চ্যাম্পিয়নস লিগ, বুন্দেসলিগা ও প্রিমিয়ার লিগের অভিষেক ম্যাচেও গোল করেছিলেন হালান্ড। এবার বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরেও সেই তালিকায় নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করলেন।
প্রথম গোলের পর থেমে থাকেননি তিনি। ৪৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন। যদিও এই গোলের পেছনে কিছুটা অবদান ছিল প্রতিপক্ষ রক্ষণভাগের ভুলেরও। একটি ব্যাক পাস থেকে গোলরক্ষক দ্রুত বল ক্লিয়ার করতে গেলে সেটি কাছাকাছি অবস্থান করা হালান্ডের পায়ে লেগে জালে ঢুকে যায়।
হালান্ডের জোড়া গোলে বিরতিতে যাওয়ার সময় নরওয়ে এগিয়ে ছিল ২-১ ব্যবধানে।
তবে ম্যাচে ইরাকও নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়। ৩৯ মিনিটে আয়মান হুসেইন গোল করে ব্যবধান কমান। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েও কয়েকবার সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি করেছিল দলটি।
যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ইব্রাহিম বায়েসের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকান নরওয়ের রক্ষণভাগ। এরপর আরেকটি শট অল্পের জন্য বাইরে চলে যায়। বিরতির ঠিক আগে আকাম হাশিমের একটি প্রচেষ্টাও ক্রসবারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে গেলে সমতায় ফেরা হয়নি ইরাকের।
বিশ্বকাপ অভিষেকেই হালান্ডের এমন পারফরম্যান্স নরওয়ের জন্য যেমন ইতিবাচক বার্তা, তেমনি টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোর জন্যও প্রতিপক্ষদের জন্য সতর্ক সংকেত।
সিএ/এমই


