লালমনিরহাটের আদিতমারীতে শ্বাসরোধে হত্যার শিকার সাত বছর বয়সী শিশু নন্দিনীর ময়নাতদন্ত শেষে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। পুলিশ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলে গতকাল রাতে স্থানীয়ভাবে শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হয়। ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
এর আগে গত সোমবার শিশু নন্দিনী নিখোঁজ হয়। পরদিন মঙ্গলবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ভুট্টাখেত থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
নিহত নন্দিনীর বাবা নলিনী কান্ত রায় বাদী হয়ে আটক রণজিৎ, তার ছেলে বিধানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আটক আসামিদের বুধবার (১৭ জুন) আদালতে পাঠানোর কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ঘটনার পর স্থানীয় উত্তেজনা, আটক আসামিদের থানায় নেওয়ার সময় বাধা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা এবং সরকারি গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ পৃথকভাবে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। মোট তিন সদস্যের দুটি কমিটি ঘটনাগুলো তদন্ত করবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নন্দিনীর মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।
আদিতমারী থানার উপপরিদর্শক সরদার তাজরুল ইসলাম বলেন, গতরাতেই ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক বিধান ও তার বাবাকে আজ আদালতে পাঠানো হবে।
সিএ/এমই


