অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নতুন নতুন সংস্করণ উন্মোচনের সঙ্গে নিয়মিত যুক্ত হচ্ছে নানা আধুনিক ফিচার। এসব সুবিধার মধ্যে অনেকগুলো ব্যবহারকারীদের জন্য বেশ কার্যকর হলেও সেগুলোর ব্যবহার সম্পর্কে অনেকেই সচেতন নন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্মার্টফোনের নিরাপত্তা ও তথ্য সুরক্ষায় কিছু বিল্ট-ইন ফিচার নিয়মিত ব্যবহার করা প্রয়োজন।
অ্যান্ড্রয়েডচালিত প্রায় সব স্মার্টফোন ও স্মার্ট ডিভাইসেই স্ক্রিন লক সুবিধা রয়েছে। পিন, প্যাটার্ন বা ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে ডিভাইস সুরক্ষিত রাখা যায়। এতে অননুমোদিত কেউ সহজে ব্যক্তিগত তথ্য বা ডিভাইসে প্রবেশ করতে পারে না।
এ ছাড়া হারিয়ে যাওয়া ফোন খুঁজে বের করার জন্যও রয়েছে বিশেষ সুবিধা। অনেক সময় অসাবধানতাবশত ফোন কোথাও রেখে আসা বা হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। অ্যান্ড্রয়েডের ‘ফাইন্ড ইয়োর ফোন’ সুবিধার মাধ্যমে নিবন্ধিত ডিভাইসের অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
ডিজিটাল জীবনের ভারসাম্য রক্ষার জন্য অ্যান্ড্রয়েডে যুক্ত করা হয়েছে ‘ডিজিটাল ওয়েলবিয়িং’ টুল। স্মার্টফোনে কত সময় ব্যয় হচ্ছে, কোন অ্যাপ সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে কিংবা দৈনন্দিন ব্যবহার কতটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, এসব তথ্য সহজেই জানা যায়। ফলে ব্যবহারকারীরা নিজেদের স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন।
তবে এসব সুবিধার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ ব্যবস্থাকে। গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস সংযুক্ত থাকলে ফোনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংরক্ষিত হতে থাকে। এতে ফোন নম্বর, ছবি, বিভিন্ন সেটিংস এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ক্লাউডে নিরাপদে রাখা সম্ভব হয়।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, ফোন হারিয়ে যাওয়া, নষ্ট হওয়া বা দুর্ঘটনাবশত তথ্য মুছে গেলেও স্বয়ংক্রিয় ব্যাকআপ থাকলে গুরুত্বপূর্ণ ডেটা পুনরুদ্ধার করা সহজ হয়। তাই ব্যক্তিগত ও পেশাগত তথ্য সুরক্ষায় এই সুবিধা সক্রিয় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
সিএ/এমআর


