ইসলাম মানুষের মর্যাদা ও সাম্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে উল্লেখ রয়েছে যে আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টির মধ্যে বিশেষ সম্মান দিয়েছেন এবং তাকে জ্ঞান, বিবেক ও বোধশক্তি দান করেছেন।
কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে মানুষের জন্য পৃথিবীর সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং জীবনযাত্রার উপকরণ সহজ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে মানুষকে বিভিন্ন জাতি, ভাষা ও গোত্রে বিভক্ত করা হয়েছে, যাতে তারা একে অপরকে চিনতে পারে।
ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো জাতি, বর্ণ বা সম্পদের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব নির্ধারিত হয় না। বরং তাকওয়া বা আল্লাহভীতি হচ্ছে প্রকৃত মর্যাদার মানদণ্ড। মহানবী মুহাম্মদ (সা.) বিদায় হজের ভাষণে ঘোষণা করেছিলেন যে, কোনো আরবের ওপর অনারবের বা কোনো সাদার ওপর কালোর কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই।
হাদিসে আরও বলা হয়েছে, আল্লাহ মানুষের চেহারা বা সম্পদের দিকে তাকান না, বরং তার অন্তর ও আমলের দিকে তাকান। এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে মানুষের প্রকৃত মূল্যায়ন তার নৈতিকতা ও কর্মের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়।
এই শিক্ষা সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও পারস্পরিক সম্মান প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করে।
সিএ/এমআর


