সুস্থ থাকার জন্য ভালো খাবারের গুরুত্ব সব বয়সেই অপরিসীম। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের চাহিদাও পরিবর্তিত হয়। পুষ্টিবিদদের মতে, ষাট, সত্তর ও আশির দশকে খাদ্যাভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন আনলে শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখা সহজ হয়।
৬০-এর দশকে শরীরের ভিত শক্ত করার সময়। এই বয়সে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ে। তাই দুধ, দই, পুঁইশাক, লালশাক, কলমিশাক, তিল, বাদাম এবং কাঁটাসহ ছোট মাছ খাদ্যতালিকায় রাখা জরুরি। পাশাপাশি প্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকলে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি পূরণ হয়।
এই বয়সে পেশি শক্ত রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। ডিম, মাছ, ডাল, ছোলা, মুরগির মাংস ও দইয়ের মতো প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার চলাফেরা ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হৃদ্যন্ত্র ও মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্য সামুদ্রিক মাছ এবং নানা রঙের ফল ও সবজি খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
৭০-এর দশকে লক্ষ্য থাকে চলাফেরা বজায় রাখা, হজম ঠিক রাখা ও শরীর পানিশূন্য না হতে দেওয়া। প্রতিবার খাবারে সহজে চিবানো যায় এমন প্রোটিন রাখা প্রয়োজন। ডাল, ছোলা, নরম মাছ ও সেদ্ধ ডিম ভালো বিকল্প। এ সময় পানিযুক্ত ফল যেমন শসা, তরমুজ, কমলা ও ডাবের পানি শরীর সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
৮০-এর দশকে সহজ, পুষ্টিকর ও আনন্দদায়ক খাবার সবচেয়ে জরুরি। ক্ষুধা কমে যাওয়ায় অল্প অল্প করে বারবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। সবজি ও ডাল দিয়ে স্যুপ, নরম ভাত, ডাল, মাছ, ডিম ও দই এই বয়সে উপযোগী। পাশাপাশি সরিষার তেল, অলিভ অয়েল ও মাছের মতো ভালো চর্বি হৃদ্যন্ত্র ও মস্তিষ্কের জন্য উপকারী।
সিএ/এমআর


