লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ছয়জনকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে এক কিশোর অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অপর পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাহাপুর এলাকায় অভিযান চালায় জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরাফাত হোসেন ও হাবিবুর রহমান আদালত পরিচালনা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. রবিন, মাসুদুর রহমান মাসুদ, মো. সুমন, ইব্রাহিম হোসেন ও কলিম উদ্দিন মুসা। তাদের কাছ থেকে চার পিস ইয়াবা ও ২৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দাবি, দণ্ডপ্রাপ্ত সুমন মাদক কারবারের সঙ্গেও জড়িত।
অভিযানের সময় মুসার সহযোগী হিসেবে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরকেও আটক করা হয়। তবে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্ত রবিন সদর উপজেলার চররুহিতা মোল্লা বাড়ির কালা মিয়ার ছেলে। মাসুদ পৌর শহরের হেদায়েত উল্লাহর ছেলে। সুমন সাহাপুর এলাকার আবুল কালামের ছেলে। ইব্রাহিম একই এলাকার আলি কমিশনারের পুরাতন বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে এবং মুসা বাঞ্চানগর এলাকার ইয়াসিন সর্দার বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, রবিনকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা, ইব্রাহিমকে ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা, মুসাকে ৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৯০০ টাকা জরিমানা, মাসুদকে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা এবং সুমনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
লক্ষ্মীপুর জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন বলেন, মাদকদ্রব্যসহ আটক ছয়জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত পাঁচজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন। অন্যজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সিএ/এমই


