ধর্মীয় আলোচনায় বলা হয়েছে, যারা আল্লাহকে নিজেদের রব হিসেবে মেনে নিয়ে আমৃত্যু সেই পথে অবিচল থাকে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতের সুসংবাদ। সুরা ফুসসিলাতের ৩০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইন্নাল্লাযিনা কালু রাব্বুনাল্লাহু ছুম্মাস তাকামু তাতানাযযালু আলাইহিমুল মালাইকাহ।” অর্থাৎ যারা আল্লাহর পথে অবিচল থাকে, ফেরেশতারা তাদের ভয় না পেতে ও জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ করতে বলেন।
সুরা হুদের ১১২ নম্বর আয়াতে রাসুল (সা.)-কে দৃঢ়ভাবে অবিচল থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর অনুসারীদেরও সেই পথে চলতে বলা হয়েছে। ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ সময় একই আদর্শে অটল থাকা একজন মুমিনের জন্য বড় পরীক্ষা।
কোরআনের আরও বিভিন্ন আয়াতে ধৈর্য, নামাজ, তওবা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নেক আমলে টিকে থাকার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। সুরা বাকারার ১৫৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “ইয়া আইয়্যুহাল্লাযিনা আমানুস তা’ঈনু বিসসাবরি ওয়াসসালাহ।” অর্থাৎ ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য কামনা করতে বলা হয়েছে।
ধর্মীয় আলোচনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, কখনো আমলে দুর্বলতা এলেও হতাশ না হয়ে আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করে আবার সৎপথে ফিরে আসাই প্রকৃত ইস্তিকামাহ। পাশাপাশি একে অপরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে।
আলোচনায় বলা হয়েছে, বড় কোনো আমল করে তা ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে অল্প হলেও নিয়মিত আমল করা আল্লাহর কাছে বেশি প্রিয়। নেক আমলে ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকে এক ধরনের নীরব জিহাদ বলেও উল্লেখ করেছেন ইসলামি চিন্তাবিদরা।
সিএ/এমআর


