যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে ক্রেন ও ফর্কলিফটের ঘাটতির কারণে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে পণ্য খালাসে বিলম্ব হওয়ায় ব্যবসায়ীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং শিল্পখাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত পণ্যের প্রায় ৩০ শতাংশই ভারী মালামাল, যা খালাসের জন্য অন্তত ১২টি ক্রেন ও ২০টি ফর্কলিফট প্রয়োজন। কিন্তু বর্তমানে ব্যবহৃত যন্ত্রের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। উপরন্তু, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এসব যন্ত্র প্রায়ই অচল থাকে।
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, বারবার বিষয়টি জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতে অনেক আমদানিকারক বিকল্প বন্দর ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছেন, যা বেনাপোল বন্দরের রাজস্ব আয়ে প্রভাব ফেলছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পণ্য খালাসে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সমস্যার সমাধানে নতুন ঠিকাদার নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। দ্রুতই এই সংকট নিরসন করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সিএ/এমআর


