ডাল আমাদের খাদ্যতালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা প্রোটিন ও আঁশের ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত। তবে সঠিকভাবে প্রস্তুত ও গ্রহণ না করলে ডাল থেকেই নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
ডালে লেকটিন, স্যাপোনিন ও ট্যানিনের মতো অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট থাকে, যা কাঁচা বা অর্ধসেদ্ধ অবস্থায় শরীরে পুষ্টি শোষণে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এসব উপাদান দূর করতে ডাল রান্নার আগে ভিজিয়ে রাখা, অঙ্কুরিত করা এবং ভালোভাবে সিদ্ধ করা জরুরি।
ডালজাতীয় শস্যে আয়রন থাকলেও তা নন-হিম ধরনের হওয়ায় শরীরে সহজে শোষিত হয় না। এজন্য ডালের সঙ্গে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার যেমন লেবু খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, যা আয়রন শোষণে সহায়তা করে।
ডাল প্রোটিনের ভালো উৎস হলেও এটি সম্পূর্ণ প্রোটিন নয়। এতে কিছু অ্যামিনো অ্যাসিডের ঘাটতি থাকে। তাই ডালের সঙ্গে ভাত বা অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ হয় এবং এটি সুষম খাদ্যে পরিণত হয়।
এছাড়া ডালে থাকা আঁশ অনেকের ক্ষেত্রে গ্যাস বা হজমজনিত সমস্যা তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যাদের আইবিএস রয়েছে। তাই ডাল খাওয়ার সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি পান করা গুরুত্বপূর্ণ।
কিডনির রোগী বা যাদের ইউরিক অ্যাসিড বেশি, তাদের ক্ষেত্রে ডাল খাওয়ার পরিমাণ সীমিত রাখা উচিত বলে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সিএ/এমআর


