ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো হজ। পাশাপাশি ওমরাহও একটি ফজিলতপূর্ণ ইবাদত, যা নির্দিষ্ট বিধান অনুযায়ী পালন করতে হয়।
পবিত্র কোরআনে হজের জন্য নির্ধারিত মাস হিসেবে শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজ মাসের কথা উল্লেখ রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হজের ইহরাম বাঁধা এবং নির্ধারিত আমলগুলো সম্পন্ন করা হয়।
আল্লাহ বলেন, হজের নির্দিষ্ট কয়েকটি মাস রয়েছে। এ মাসগুলোতে যে কেউ হজ করার নিয়ত করলে তার জন্য স্ত্রী সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও বিবাদ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক এবং সৎকর্মে নিয়োজিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। (সুরা বাকারা: ১৯৭)
তবে এই মাসগুলোতে যে কোনো দিন হজের সব কাজ সম্পন্ন করা যায়—এমন নয়। বরং নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্দিষ্ট আমলগুলো আদায় করতে হয়।
ওমরাহর ক্ষেত্রে ইসলামী বিধান অনুযায়ী, হজের মাসে ওমরাহ করা বৈধ হলেও জিলহজ মাসের ৯ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঁচ দিনে ওমরাহ আদায় করা মাকরুহ তাহরিমি হিসেবে বিবেচিত। এই সময় ছাড়া শাওয়াল, জিলকদ এবং জিলহজের প্রথম আট দিনে ওমরাহ করা যায়।
অনেক আলেমের মতে, হজের মাসে ওমরাহ আদায় করা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। কারণ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) তার ওমরাহগুলো এই সময়ের মধ্যেই আদায় করেছিলেন।
তাই কেউ যদি নবীজি (সা.)-এর অনুসরণে এই মাসগুলোতে ওমরাহ পালন করেন, তাহলে তিনি অতিরিক্ত সওয়াবের আশা করতে পারেন
সিএ/এমআর


