শিশুদের খেলাধুলা তাদের বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও খেলনা থেকেই ঘটতে পারে নানা দুর্ঘটনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলনা কেনার সময় সচেতনতা না থাকলে তা শিশুর জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
অনেক সময় খেলনার ধারালো অংশ বা ছোট অংশ শিশুর শরীরে আঘাত করতে পারে বা গলায় আটকে বিপজ্জনক পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এছাড়া প্লাস্টিকের খেলনায় ব্যবহৃত বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ শিশুর শরীরে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করা হচ্ছে।
খেলনা কেনার আগে লেবেল দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে উপাদান, ব্যবহার পদ্ধতি ও বয়স উপযোগিতা সম্পর্কে তথ্য থাকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুর বয়স অনুযায়ী খেলনা নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শব্দ বেশি হয় এমন খেলনা এড়িয়ে চলার কথাও বলা হয়েছে, কারণ তা শিশুর শ্রবণশক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। একই সঙ্গে ব্যাটারিচালিত খেলনার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন, যাতে শিশু ব্যাটারি খুলে ফেলতে না পারে।
সস্তা ও নিম্নমানের খেলনায় ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকার ঝুঁকি বেশি। তাই ‘ননটক্সিক’ লেবেলযুক্ত নিরাপদ খেলনা বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মার্বেল বা ছোট কাচের বলের মতো খেলনা ছোট শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, খেলনা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তা শিশুর মানসিক বিকাশেও প্রভাব ফেলে। তাই অস্ত্রের আদলে তৈরি খেলনা বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রেও সচেতন থাকা জরুরি।
সিএ/এমআর


