বর্তমান সময়ে তরুণদের ফ্যাশনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে কোঁকড়া চুলের স্টাইল। বিশেষ করে আলফা ও জেন-জি প্রজন্মের মধ্যে সোজা চুলকে কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া করার প্রবণতা বাড়ছে, যা মূলত সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের প্রভাবেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
আগে যেখানে খেলোয়াড় বা অভিনেতাদের স্টাইল অনুসরণ করা হতো, এখন সেই জায়গা নিয়েছে অনলাইন ব্যক্তিত্বরা। তাদের ব্যক্তিগত স্টাইল অনুকরণ করে তরুণেরা নিজেদের নতুনভাবে উপস্থাপন করতে আগ্রহী হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রায় সব ধরনের মুখের গড়নেই কোঁকড়া চুল মানিয়ে যায়। তবে গোল বা ডিম্বাকৃতির মুখে এটি বেশি আকর্ষণীয় দেখায়। লম্বা মুখের ক্ষেত্রে আংশিক কোঁকড়া করলে ভালো লাগে। ছোট চুলে দুই পাশে ফেড কাট এবং লম্বা চুলে লেয়ারিং স্টাইল বেশি জনপ্রিয়।
চুল কোঁকড়া করার ক্ষেত্রে অস্থায়ী ও স্থায়ী—দুই ধরনের পদ্ধতি রয়েছে। বাসায় কার্লিং মেশিন ব্যবহার করে অস্থায়ীভাবে চুল কোঁকড়া করা যায়, যা শ্যাম্পু করলেই চলে যায়। তবে দীর্ঘমেয়াদে কোঁকড়া রাখতে হলে কসমেটোলজিস্টের সহায়তা নিতে হয়, যেখানে রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই রাসায়নিক চুল ও মাথার ত্বকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই নিজে না করে দক্ষ ব্যক্তির মাধ্যমে করা উচিত। সাধারণত কৃত্রিমভাবে কোঁকড়া করা চুল ছয় মাস থেকে এক বছর পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
কোঁকড়া চুলের যত্নে নিয়মিত শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার জরুরি। ঘন ঘন ব্রাশ করলে চুলের কার্ল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। চুল শুকানোর সময় ফ্ল্যাট ব্রাশ ব্যবহার না করাই ভালো এবং স্ট্রেইট করার সিরাম এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।
এছাড়া গরম বা আর্দ্র আবহাওয়ায় কোঁকড়া চুলে অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। ঘামের কারণে মাথার ত্বকে সমস্যা দেখা দিতে পারে, তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
সিএ/এমআর


