নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামের পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও গ্যাসের বিল অনেক পরিবারের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে। বিশেষ করে শহুরে জীবনে ব্যবহার বেশি হওয়ায় মাস শেষে ব্যয়ও তুলনামূলক বেশি হয়। তবে কিছু সচেতন অভ্যাস গড়ে তুললে এই খরচ অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
অপ্রয়োজনীয় সময়ে লাইট ও ফ্যান বন্ধ রাখা বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের একটি সহজ উপায়। অনেক সময় ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এসব বন্ধ না রাখার কারণে অপ্রয়োজনীয় খরচ বাড়ে।
এলইডি বাল্ব ব্যবহার করলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যায়। পুরনো ধরনের বাল্বের তুলনায় এলইডি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করেও সমান আলো দেয়।
ফ্রিজ ব্যবহারে সচেতনতা জরুরি। বারবার দরজা খোলা বা গরম খাবার সরাসরি ভেতরে রাখলে বিদ্যুৎ খরচ বেড়ে যায়। তাই খাবার ঠান্ডা করে রাখা এবং দ্রুত দরজা বন্ধ করার অভ্যাস করা উচিত।
গরমের সময় এসি ব্যবহারে সঠিক তাপমাত্রা নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। ২৪ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে চালালে বিদ্যুৎ কম খরচ হয়। পাশাপাশি নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার রাখলে কার্যকারিতা বাড়ে।
গ্যাস ব্যবহারে অপচয় কমাতে রান্নার সময় পাত্র অনুযায়ী আগুন ব্যবহার করা প্রয়োজন। রান্না শেষে চুলা ঠিকভাবে বন্ধ আছে কি না সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
প্রেসার কুকার ব্যবহার করলে রান্নার সময় কমে এবং গ্যাসের খরচও কম হয়। একই সঙ্গে বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রপাতি ব্যবহার শেষে প্লাগ খুলে রাখলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ খরচ কমানো যায়।
সচেতনভাবে বিদ্যুৎ ও গ্যাস ব্যবহার শুধু ব্যক্তিগত ব্যয় কমায় না, বরং জাতীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহারে ভূমিকা রাখে।
সিএ/এমআর


