নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মির্জা মামুদ খাল আবারও খনন করা হচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) দ্বারা। তিন বছর আগে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) খালটি খনন করেছিল ৩৪ লাখ টাকায়। এবার পাউবো ৪ দশমিক ৮৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খননে ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা আগের খননের প্রায় আট গুণ।
খাল খননের উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবং নাটোর-২ সদর আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার। তিনি দাবি করেন, পূর্বে খাল কাটা হয়েছিল “কাগজে–কলমে”, এবার প্রকৃতপক্ষে কাজ করা হচ্ছে এবং তদারকি করা হবে।
নাটোর পাউবোর তথ্য অনুযায়ী, খালের নন্দকুঁজা নদী অংশ থেকে মরা বড়াল নদ পর্যন্ত খনন করা হবে। খালের তল থেকে ৪ ফুট গভীর এবং ৬ ফুট প্রস্থ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঠিকাদারি কাজটি পাচ্ছে রংপুরের মেসার্স ইউনাইটেড ব্রাদার্স।
বিএডিসির সহকারী প্রকৌশলী মো. জিয়াউল হক জানান, ২০২২ সালে একই খাল ৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে খনন করা হয়েছিল ৩৪ লাখ টাকায় এবং ৪২,৩৯০ ঘনমিটার মাটি উত্তোলন করা হয়েছিল। সেই খননের পর খালটির নাব্যতা ফিরে এসেছে এবং স্থানীয় কৃষকরা পানির সুবিধা ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, পুনরায় খনন করলে সরকারি অর্থের অপচয় হতে পারে।
নাটোর পাউবোর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী এমদাদ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি নতুন দায়িত্বে আসায় এই খালের পূর্ববর্তী খননের তথ্য সম্পর্কে অবগত নন।
সিএ/এমই


