ইরাকের রমজান প্রাচীন ব্যবিলনীয়, সুমেরীয় এবং আব্বাসীয় ঐতিহ্যের এক জীবন্ত জাদুঘর। মুদ্রাস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থাকলেও ইরাকিদের আতিথেয়তা এবং হৃদয়ের প্রশস্ততা অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
ইরাকিদের রান্নার হাত হাজার বছরের পুরনো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত ১৭৫০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের তিনটি মাটির ফলককে বিশ্বের প্রথম রান্নার বই হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সেই সময়ের ‘তশরীব’ বা ‘খুবজ আল-আরুক’ আজও ইরাকি ইফতারের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
রমজানে শহরের সাজসজ্জা চোখে পড়ে। ইরাকের ইফতারে মাসকুফ জাতীয় মাছ, দোলমা এবং দুলাইমিয়া খাবারগুলো বিশেষ গুরুত্ব রাখে।
ইফতারের পর ঐতিহাসিক ‘মাহিবুস’ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুটি দলের মধ্যে আংটি লুকানোর লড়াই হয়। জয়ী দলকে ক্রিম পেস্ট্রি বা বাকলাভার মতো উপহার দেওয়া হয়।
মুসাহারাতি নামে সাহরির সময় ডাক দেয় এমন মানুষরা বড় ড্রাম বাজিয়ে পাড়ায় ঘুরে বেড়ান। মাজিনা গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শিশুদের আনন্দ বিতরণ করা হয়। ইফতার শেষে ‘ইস্তিকান’ চা পরিবেশিত হয়, যা ব্রিটিশ আমলের ‘East Tea Can’ থেকে উদ্ভূত।
সিএ/এমআর


