শীত মৌসুমে বাতাসের শুষ্কতা ও দূষণের মাত্রা একসঙ্গে বেড়ে যায়। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পিএম ২.৫ ও পিএম ১০ মাত্রা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছায়। এর প্রভাবে শ্বাসকষ্ট, সর্দি-কাশির পাশাপাশি চোখের জ্বালা, পানি পড়া ও কনজাঙ্কটিভাইটিসের ঝুঁকি বাড়ে।
বাতাসে নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইডসহ ক্ষুদ্র কণা চোখের ম্যাকুলা ও রেটিনার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। দূষণের কারণে চোখ শুষ্ক হয়ে পড়লে সমস্যা আরও তীব্র হয়।
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী আই ড্রপ ব্যবহার করা উচিত। বাইরে বের হলে সানগ্লাস বা আই শিল্ড ব্যবহার চোখকে সুরক্ষা দিতে পারে। বাড়ি ফিরে ঠান্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নেওয়া ভালো।
পর্যাপ্ত পানি পান শরীর আর্দ্র রাখতে সহায়ক। প্রতিদিন আড়াই থেকে তিন লিটার পানি পান উপকারী। ওমেগা-৩ ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টসমৃদ্ধ খাবার যেমন সবুজ শাকসবজি, মাছ, বাদাম, গাজর ও ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
চোখ লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া বা চুলকানি হলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করলে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।
সিএ/এমআর


