রমজান মাসে ইফতারে খেজুর রাখা একটি সুপ্রচলিত ঐতিহ্য। ধর্মীয় অনুশীলনের পাশাপাশি পুষ্টিগুণের দিক থেকেও খেজুরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারাদিন রোজা রাখার পর শরীরে দ্রুত শক্তি ফিরিয়ে আনতে খেজুর কার্যকর ভূমিকা রাখে।
খেজুরে রয়েছে কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও আয়রনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদান। এ ছাড়া এতে প্রাকৃতিক চিনি থাকায় এটি দ্রুত শক্তির জোগান দেয়। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর শরীরের গ্লুকোজের ঘাটতি পূরণে খেজুর সহায়ক।
পুষ্টিবিদদের মতে, নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খেজুর খেলে ক্লান্তি কমে এবং কর্মক্ষমতা বজায় থাকে। খেজুর হজমে সহায়ক হওয়ায় ইফতারে এটি পেটের জন্যও উপকারী। পাশাপাশি এটি হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা বজায় রাখতে এবং রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা রোজার সময় ইফতার বা সেহরিতে ২ থেকে ৩টি খেজুর রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রাকৃতিক শক্তির উৎস হিসেবে খেজুর শরীরকে সতেজ রাখতে ভূমিকা রাখে।
সিএ/এমআর


