চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আলু চাষে এবারও কৃষকরা লোকসান ভোগ করছেন। ২০ শতক জমিতে আলু চাষ করা মো. হারুন বলেন, প্রতি কেজি আলু ১৮ টাকায় বিক্রি করেছেন, অথচ উৎপাদন খরচ কেজি প্রতি ২০ টাকা। ৬০০ কেজি আলু বিক্রি করেও প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা লোকসান হয়েছে।
একই সমস্যা দেখা দিয়েছে অন্যান্য কৃষকের ক্ষেতেও। সম্প্রতি ১০০ টাকায় ৬ কেজি আলু বিক্রি হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কৃষকরা বলছেন, চট্টগ্রামে বিভিন্ন জেলার আলু বাজারে আসার কারণে দাম কমে যাচ্ছে।
চট্টগ্রামে ডায়মন্ড (বারি-৭), কার্ডিনাল (বারি-৮) ও স্থানীয় দোহাজারী জাতের আলু চাষ হয়। ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল জাতের দাম কম থাকলেও দোহাজারী আলুর বাজার তুলনামূলক ভালো। অনেক কৃষক অপরিপক্ব বীজ ব্যবহার ও রোগবালাইয়ের কারণে উৎপাদন কম পাচ্ছেন। ফলন খরচ ২০–২৫ টাকা কেজি হলেও বর্তমান বাজারদরে সেই খরচও উঠছে না।
চট্টগ্রামে রবি মৌসুমে আলু চাষ হয়। পাঁচ বছরে আবাদ কমে প্রায় ২১ শতাংশ এবং উৎপাদন কমেছে ২৮ শতাংশ। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৩১৬ টন উৎপাদন হয়েছে, লক্ষ্যমাত্রা ৩ হাজার ৭৫০ টন।
কৃষি অর্থনীতিবিদদের মতে, আলুচাষিদের টিকিয়ে রাখতে মানসম্মত বীজ, সমন্বিত রোগবালাই ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ ব্যবস্থা ও সহজ শর্তে হিমাগার সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি।
সিএ/এমই


