রোজা শুধুমাত্র খাবার বা পানীয় ত্যাগ নয়; এটি আত্মসংযম, ধৈর্য্য এবং আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের প্রকাশ। মুসলিমরা রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত রোজা রাখেন।
রোজার গুরুত্ব
- আধ্যাত্মিক উন্নতি: খারাপ অভ্যাস থেকে বিরত রাখা ও ধৈর্য্য বৃদ্ধি।
- সামাজিক সহানুভূতি: দরিদ্র ও ক্ষুধার্তদের প্রতি সহানুভূতি।
- শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য: খাদ্য ও পানীয় নিয়ন্ত্রণে রাখা।
- আধ্যাত্মিক ধ্যান ও কৃতজ্ঞতা: আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ।
রোজা থেকে শিথিলতার ছয়টি কারণ
১. অসুস্থ ব্যক্তি: জ্বর, ডায়াবেটিস বা দীর্ঘস্থায়ী রোগে রোজা বিপজ্জনক।
২. বৃদ্ধ ব্যক্তি: দেহ দুর্বল হলে দীর্ঘ রোজা রাখা কঠিন।
৩. গর্ভবতী নারী: মা ও শিশুর পুষ্টি কমতে পারে, ঝুঁকি থাকে।
৪. শিশু: শরীর ও হজম ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিকশিত নয়।
৫. ভ্রমণরত ব্যক্তি: দীর্ঘ যাত্রা বা কঠিন ভ্রমণে শক্তি কমে যায়।
৬. মাসিক/পরিশেষকালীন মহিলারা: স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন হয়, রোজা রাখা নিষিদ্ধ।
শিথিল থাকার পরও পরবর্তীতে রোজা পূরণ বা ফিদ্যা দিয়ে দায়িত্ব পালন করা হয়। ইসলামের বিধান মানবিক ও বাস্তবমুখী, মানুষের স্বার্থ ও জীবনপরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সিএ/এমআর


