চট্টগ্রামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের বাজারে সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি দিয়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের। কোথাও কোথাও লাইনের গ্যাসও নিয়মিত থাকছে না, ফলে বাড়তি খরচের চাপ বাড়ছে।
নগরের ষোলশহর, দুই নম্বর গেট, চকবাজার, আতুরার ডিপো ও টেকনিক্যাল এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে আগের তুলনায় সিলিন্ডারের সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে। তবে দাম কমেনি। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দরদামের সুযোগ পাচ্ছেন না ক্রেতারা।
টেকনিক্যাল এলাকার একটি বিক্রয় প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বলেন, পরিবেশকের কাছ থেকেই ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে বেশি দামে। সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি করলে খরচ ওঠে না। পরিবেশক পর্যায়ে দাম না কমলে খুচরা পর্যায়ে কমানো সম্ভব নয়।
দেশে এলপিজির বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৭ লাখ টন। বাজারটি পুরোপুরি বেসরকারি আমদানিনির্ভর। নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান থাকলেও নিয়মিত আমদানির সংখ্যা কম হওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি।
এলপিজি পরিবেশক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শহরে প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ হাজার সিলিন্ডারের চাহিদা থাকলেও এখনো প্রায় ৩০ শতাংশ ঘাটতি রয়েছে। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ সুযোগে বাড়তি দাম নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ভোক্তাদের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, অনেক দোকানে সিলিন্ডার থাকলেও পরিমাণ কম। ফলে বাড়তি দাম দিয়েই কিনতে হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান থাকলেও তার প্রভাব স্থায়ী নয় বলে অভিযোগ রয়েছে
সিএ/এমআর


